১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে বাইকের দাম

১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে বাইকের দাম ২০২৪

বাংলাদেশ বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির বাইক পাওয়া যায়। এর মধ্যে যে সকল বাইক বাজারের জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ওই সকল বাইক এই লিস্টে তুলে ধরবো। আপনার বাজেট যদি ১ লক্ষ ২০ হাজার থেকে দেড় লক্ষ টাকার আশেপাশে। আপনি চাচ্ছেন একটি বাইক কিনতে। এক্ষেত্রে আমাদের এই পোস্ট আপনাদের উপকারে আসবে।

এখান থেকে আপনি খুব সহজেই ১১০ সিসি থেকে ১২৫ সিসির বাইক অর্থাৎ বাজেট সেগমেন্টের এবং কমিউটার সেগমেন্টের বাইকের দাম জানতে পারবেন। বাংলাদেশ বাজারে এই দুই সেগমেন্টের বাইকের অনেক চাহিদা রয়েছে। এখান থেকে হোন্ডা, পালসার, হিরো, সুজুকি, টিভিএস কম্পানির জনপ্রিয় মডেলর বাইকের দাম জানাতে পারবেন। বাইকের দাম এবং ফিচার জানতে সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন। আশা করা যায় এই বাইক গুলো আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। আপনি চাইলে আমাদের ওয়েবসাইটে থাকা। কম দামের মধ্যে ভালো বাইক দেখতে পারেন। ভালো বাইকের দাম জানতে এখানে ক্লিক করুন।

দেড় লাখ টাকার মধ্যে বাইক

বাংলাদেশ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ১ লক্ষ ২০ হাজার। থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে যে সকল বাইক তার দাম। এবং কিছু ফিচার এখন জেনে নিব।

  • Honda CB shine SP 125, বাইকের বাজার মূল্য ১,২৬,৯০০ টাকা।
  • Suzuki gixxer 125, বাইকের বাজার মূল্য ১,৩৪,৯৫০ টাকা।
  • Honda livo 110 disc, বাইকের বাজার মূল্য ১,১৩,৯০০ টাকা।
  • Honda livo 110, বাইকের বাজার মূল্য ১,১৯,৯০০ টাকা।
  • TVS Stryker 125, বাইকের বাজার মূল্য ১,৪৪,৯৯০ টাকা।
  • Yamaha saluto 125, বাইকের বাজার মূল্য ১,৪০,০০০ টাকা।
  • Hero Glamour 125, বাইকের বাজার মূল্য ১,১৮,৭৪০ টাকা।
  • Bajaj discover 110 disc, বাইকের বাজার মূল্য ১,৩৭,০০০ টাকা।
  • Bajaj discover 125 disc বাইকের বাজার মূল্য ১,৫৩,০০০ টাকা।

১২০০০০ টাকার মধ্যে বাইক

আমরা এখন দেখে নেব এক লক্ষ বিশ হাজার টাকার আশেপাশে। যে সকল বাইক পাওয়া যাচ্ছে দাম এবং ফিচার, তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক। বাইকের দাম জানতে নিচে খেয়াল করুন।

Honda livo 110 disc, এই বাইকটিতে ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে 110 সিসির ইঞ্জিন এই ইঞ্জিন থেকে ম্যাক্সিমাম 8.42 PS পাওয়ার এবং 9.09 Nm টর্ক উৎপন্ন হয়। বাইকের ট্যাংকের ধারণ ক্ষমতা ৮.৫ লিটার। এই বাইকের সর্বোচ্চ স্পিড পাওয়া যাবে 86 kmph এবং মাইলেজ পাওয়া যায় 74 kmpl সব মিলিয়ে এই বাইকটির ওজন ১১৪ কেজি। বাজেট অনুযায়ী বাইকের ডিজাইন ঠিকঠাক

Honda livo 110, এই বাইকটিতে ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে 110 সিসির ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন থেকে ম্যাক্সিমাম 8.42 PS পাওয়ার এবং 9.09 Nm টর্ক উৎপন্ন হয়। বাইকের ট্যাংকের ধারণ ক্ষমতা ৮.৫ লিটার। এই বাইকের সর্বোচ্চ স্পিড পাওয়া যাবে 86 kmph এবং মাইলেজ পাওয়া যায় 74 kmpl সব মিলিয়ে এই বাইকটির ওজন ১১৪ কেজি। চারটি গিয়ারবক্স থাকছে। বাজেট অনুযায়ী বাইকের ডিজাইন ঠিকঠাক

Hero Glamour 125, এই বাইকটিতে ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ১২৫ সিসির ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন থেকে ম্যাক্সিমাম 11.6 PS পাওয়ার এবং 11 Nm টর্ক উৎপন্ন হয়। বাইকের ট্যাংকের ধারণ ক্ষমতা ১০ লিটার। এই বাইকের সর্বোচ্চ স্পিড পাওয়া যাবে 101.85 kmph, এবং মাইলেজ পাওয়া যায় 68 kmpl সব মিলিয়ে এই বাইকটির ওজন ১২৫ কেজি। চারটি গিয়ারবক্স থাকছে।

১৫০০০০ টাকার মধ্যে বাইক

Honda CB shine SP 125, এই বাইকটিতে ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ১২৫ সিসির ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন থেকে ম্যাক্সিমাম 10.3 PS পাওয়ার এবং 10.3 Nm টর্ক উৎপন্ন হয়। বাইকের ট্যাংকের ধারণ ক্ষমতা ১০.৫ লিটার। এই বাইকের সর্বোচ্চ স্পিড পাওয়া যাবে 102.92 kmph, এবং মাইলেজ পাওয়া যায় 65 kmpl সব মিলিয়ে এই বাইকটির ওজন ১২৩ কেজি। পাঁচটি গিয়ারবক্স থাকছে। ব্রেক হিসেবে ডিস্ক এবং ড্রাম ব্যবহার করা হয়েছে।

Suzuki gixxer 125 এই বাইকটিতে ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ১২৫ সিসির ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন থেকে ম্যাক্সিমাম 7.8 PS পাওয়ার এবং 9.2 Nm টর্ক উৎপন্ন হয়। বাইকের ট্যাংকের ধারণ ক্ষমতা ১৪.২ লিটার। এই বাইকের সর্বোচ্চ স্পিড পাওয়া যাবে 110 kmph, এবং মাইলেজ পাওয়া যায় 60 kmpl সব মিলিয়ে এই বাইকটির ওজন ১২৬ কেজি। পাঁচটি গিয়ারবক্স থাকছে। ব্রেক হিসেবে ডিস্ক এবং ড্রাম ব্যবহার করা হয়েছে।

TVS Stryker 125, এই বাইকটিতে ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ১২৫ সিসির ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন থেকে ম্যাক্সিমাম 11 bhp পাওয়ার এবং 10.8 Nm টর্ক উৎপন্ন হয়। বাইকের ট্যাংকের ধারণ ক্ষমতা ১০ লিটার। এই বাইকের সর্বোচ্চ স্পিড পাওয়া যাবে 100 kmph, এবং মাইলেজ পাওয়া যায় 65 kmpl, সব মিলিয়ে এই বাইকটির ওজন ১১৭ কেজি। চারটি গিয়ারবক্স থাকছে সাথে ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন । ব্রেক হিসেবে ডিস্ক এবং ড্রাম ব্যবহার করা হয়েছে।

১ লাখ ৫০ হাজার টাকার বাইক

Yamaha saluto 125, এই বাইকটিতে ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ১২৫ সিসির ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন থেকে ম্যাক্সিমাম 8.3 Ps পাওয়ার এবং 10.1 Nm টর্ক উৎপন্ন হয়। বাইকের ট্যাংকের ধারণ ক্ষমতা ৭.৬ লিটার। এই বাইকের সর্বোচ্চ স্পিড পাওয়া যাবে 95 kmph, এবং মাইলেজ পাওয়া যায় 78 kmpl সব মিলিয়ে এই বাইকটির ওজন ১১৪ কেজি। চারটি গিয়ারবক্স থাকছে সাথে ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন । ব্রেক হিসেবে ডিস্ক এবং ড্রাম ব্যবহার করা হয়েছে।

Bajaj discover 110 disc, এই বাইকটিতে ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ১১০ সিসির ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন থেকে ম্যাক্সিমাম 8.6 Ps পাওয়ার এবং 9.81 Nm টর্ক উৎপন্ন হয়। বাইকের ট্যাংকের ধারণ ক্ষমতা ৮ লিটার। এই বাইকের সর্বোচ্চ স্পিড পাওয়া যাবে 100 kmph, এবং মাইলেজ পাওয়া যায় 82.4 kmpl, সব মিলিয়ে এই বাইকটির ওজন ১১৭.৫ কেজি। চারটি গিয়ারবক্স থাকছে সাথে ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন । ব্রেক হিসেবে ডিস্ক এবং ড্রাম ব্যবহার করা হয়েছে।

Bajaj discover 125 disc, এই বাইকটিতে ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ১১০ সিসির ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন থেকে ম্যাক্সিমাম 11 Ps পাওয়ার এবং 11 Nm টর্ক উৎপন্ন হয়। বাইকের ট্যাংকের ধারণ ক্ষমতা ৮ লিটার। এই বাইকের সর্বোচ্চ স্পিড পাওয়া যাবে 100 kmph, এবং মাইলেজ পাওয়া যায় 82.4 kmpl, সব মিলিয়ে এই বাইকটির ওজন ১৩১ কেজি। পাঁচটি গিয়ারবক্স থাকছে সাথে ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন । ব্রেক হিসেবে ডিস্ক এবং ড্রাম ব্যবহার করা হয়েছে।

আশা করা যায় এখান থেকে দেড় লক্ষ টাকার বাইকের দাম জানতে পেরেছেন। যদি এই পোস্ট ভালো লেগে থাকে। তাহলে আমাদের ওয়েব সাইটে থাকা। আরো অন্যান্য পোস্ট দেখতে পারেন। হয়তো আপনাদের কাছে ভালো লাগতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top