স্বাস্থ্য

এলোভেরার উপকারিতা ও অপকারিতা

অনেকেই জানতে চায় এলোভেরা উপকারিতা কি বা আলোভেরার উপকারিতা ও অপকারিতা। আজকের এই পোস্টে অ্যালোভেরা সম্পর্কে অনেক কিছু জানানো হয়েছে। আশা করি আপনারা যা জানতে চান তারা আজকের এই পোস্ট থেকে জানতে পারবেন। কয়েকটি বিষয়ে বিভক্ত ভাবে তুলে ধরা হয়েছে তা নিচ থেকে সংগ্রহ করে নিন।

এলোভেরা উপকারিতা কি

অনেক সময় দেখা যায় কিছু বিষয় বুঝতে না পারলে তখন মজা করে বলা হয় এটা খায় না মাথায় দেয়। হ্যাঁ আজকে এমন একটি বিষয়ে জানতে চলেছি এটি খাওয়া যায় আবার মাথায় দেওয়া যায়। তবে এই এলোভেরার উপকারিতা দিকগুলো আমাদের জেনে রাখা উচিত। যা এই পোস্ট থেকে খুব সহজে জানতে পারবেন। তাহলে জেনে নেওয়া যাক এলোভেরার উপকারিতা।

ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট এর তথ্য মতে এতে প্রায় পঁচাত্তর টি সক্রিয় উপাদান রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখ্য ভিটামিন, এনাইজম, খনিজ, সুগার, স্যাপোনিনস, অ্যামিনো অ্যাসিড, স্যালিসিলিক অ্যাসিড, এছাড়াও এতে ভিটামিন বি টুয়েলভ, ফলিক অ্যাসিড এবং কোলিন রয়েছে। এলোভেরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় এবং ত্বকের যত্নে ও ও চুলের যত্ন ব্যবহার করা হয়।

চুলের জন্য এলোভেরার উপকারিতা

মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি হয় চুলের মাধ্যমে। অনেকেই জানতে চাই চুল কিভাবে যত্ন নেওয়া যায়। সকলে চায় গন ও নরম চুল এবং চুলের গোড়া শক্ত করতে। চুলের যত্নের জন্য এলোভেরা অনেক উপকারিত সম্পর্কে চলুন জেনে নেওয়া যাক।

অ্যালোভেরা জেল সম্পর্কিত একটি গবেষণায় বিশ্বাস করা হয়েছে যে এটি চুলের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে কাজ করতে পারে। এছাড়াও, এটি মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলকে শক্তিশালী করতে কাজ করতে পারে। এইভাবে অ্যালোভেরা চুলের বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করতে পারে। এই ভিত্তিতে, এটি বিশ্বাস করা যেতে পারে যে চুলের যত্নে এলোভেরা উপকারী এবং চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক প্রমাণিত হতে পারে।

>চুলের খুশকি দূর করার জন্য এবং চুলের গোড়া শক্ত করার জন্য এলোভেরার সাথে আমলকি মিশিয়ে চুলে লাগান। কিছুদিন পর দেখবেন খুশকি দূর হয়েছে তার সাথে চুলের গোড়া শক্ত হয়েছে।

এলোভেরা উপকারিতা ও অপকারিতা

অ্যালোভেরা প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহার করা হয়। এলোভেরা খাওয়ার ক্ষেত্রে যেমন উপকারিতা আছে তেমনি আবার অপকারিতা রয়েছে। আজকে এলোভেরা সম্পর্কে উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানানো হবে এই পোস্টে।

>রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরার উপকারিতা অনেক। যেমন মানসিক চাপ অথবা রোগ প্রতিরোধ বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে এলোভেরা অনেক কার্যকরী। এলোভেরা তে থাকা ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

>এলোভেরা খাওয়ার নিয়ম হচ্ছে এটি খুব সহজেই জুস বানিয়ে খাওয়া যায়। এলোভেরা খেলে হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। যাদের মধ্যে হজম শক্তি ক্ষমতা কম। তারা অ্যালোভেরা খাওয়ার মাধ্যমে হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে পারবে। এর পাশাপাশি এটি পরিপাক ও রেচন যন্ত্রকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মুক্ত রাখে। যা আপনার পেটে ক্ষতিকর কৃমি হওয়া থেকেও বাঁচায়। অ্যালোভেরার অপকারিতা সম্পর্কে নিচে দেয়া হয়েছে

অ্যালোভেরার অপকারিতা

আমরা এলোভেরার সম্পর্কে উপর থেকে অনেক কিছু জানতে পারেছি এবং এর উপকারিতা সম্পর্কে জানতে পেরেছি। এখন অ্যালোভেরার কিছু অপকারিতা দিক জেনে নেওয়া যাক।

চিকিৎসকদের মতে, অ্যালোভেরা জেল নিরাপদ যখন এটি ওষুধ বা জেল হিসেবে চামড়ায় প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু প্রাকৃতিক উপায়ে যখন অ্যালোভেরার ভেতরের রসালো পদার্থটি বের করা হয় তখন এর সঙ্গে ভুলবশত ‘অ্যালো লেটেক্স’বের হতে পারে। যা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। যার রঙ হয় হলদে। অ্যালোভেরার শাঁসের সঙ্গে যদি এই ল্যাটেক্স শমশে যায় আর যদি তা খাওয়া হয় তবে এটি শরীরের বিভিন্ন রোগের কারণ হবে।

অ্যালো ল্যাটেক্স ক্র্যাশ এবং পেট ব্যথা এরূপ কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে। আর এটি যদি ল্যাটেক্স এর দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার করা হয় তবে কিডনি সমস্যা, ডায়রিয়া, প্রস্রাব রক্ত, কম পটাশিয়াম, ওজন হ্রাস, পেশী দুর্বলতা এবং হৃদয় ব্যাঘাত ক্লেইন ল্যাটেক্সের উচ্চমাত্রা এমনকি কিডনি ফেইলির ঝুঁকির মধ্যে পরতে পারে। এমনকি অ্যালো ল্যাটেক্স খাওয়ার ফলে গর্ভের বাচ্চা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে মায়ের বুকের দুধ সন্তানকে খাওয়ার মাধ্যমেও এর ক্ষতিকর প্রভাব সন্তানের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। শিশুদের অ্যালো ল্যাটেক্স খাওয়ানোর মাধমে শিশুর পেট ব্যথা ও ডায়রিয়া হতে পারে।

ঘৃতকুমারীর উপকারিতা

এলোভেরা ঘৃতকুমারী নামে পরিচিত। অনেকেই ঘৃতকুমারী নামে ভালো চেনে আবার অনেকেই এলোভেরা নামে চেনে। যে নামে চেনা হোক না কেন এটি একই এলোভেরা বা ঘৃতকুমারী সম্পর্কে উপরে বর্ণনা করা হয়েছে ওখান থেকে সংগ্রহ করে নিন।

এলোভেরার ছবি

অনেকেই অ্যালোভেরার ছবি খোঁজ করে থাকে। তাই আমরা এই পোস্টে আপনাদের জন্য এলোভেরা বা ঘৃতকুমারীর ছবি তুলে ধরেছি।

এলোভেরার উপকারিতা ও অপকারিতা

শেষ কথা

আমরা এই পোস্টে চেষ্টা করেছি অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর উপকারিতা ও অপকারিতা তুলে ধরার। আশা করি আজকের এই পোস্ট থেকে আপনি খুব সহজেই জানতে পেরেছেন। যদি আজকের এই পোস্ট আপনাদের কাছে ভালো লেগে থাকে। তাহলে অবশ্যই আপনাদের বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে পারেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button