AssignmentClass 7 Assignment Answer

৭ম শ্রেণি বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ – ৩য় সপ্তাহের

৭ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ – ৩য় সপ্তাহের। আপনারা যারা সপ্তম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান খুঁজছেন। তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট এর সপ্তম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ তুলে ধরা হয়েছে।

আশা করছি এখান থেকে আপনারা খুব সহজেই সপ্তম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট class 7 bangla assignment answer 2022 সলিউশন জানতে পারবেন। তাই ধৈর্য্য সহকারে সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সবগুলো পড়ুন। সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ইংরেজি দেখুন।

সপ্তম শ্রেণির ইংরেজি এসাইনমেন্ট এর উত্তর পাবেন আজকের পোস্টে। সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ডাউনলোড করুন। সপ্তম শ্রেণির ইংরেজি এসাইনমেন্ট সবার জন্য। সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ইংরেজি উত্তর পেতে লিংকে ক্লিক করুন।

আপনারা যারা সপ্তম শ্রেণী থেকে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিবেন। তাদের জন্য সপ্তম শ্রেণীর প্রথম সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান এখানে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি এখান থেকে আপনারা আপনাদের বাংলা বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর জমা দিতে পারবেন।

৭ম শ্রেণির বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ প্রশ্নের উত্তর ও সমাধান ডাউনলোড (সকল সপ্তাহ)। প্রথম সপ্তাহ ৭ম শ্রেণির বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২। আমরা আরও তুলে ধরেছি ৭ম শ্রেণির ২১ তম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট ২০২২ ও ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট হিন্দু ধর্ম। সাথে দেওয়া হয়েছে ৭ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট এর উত্তর।

৭ম শ্রেণির বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের উত্তর ২০২২

আপনি কি ৭ম শ্রেণির বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের সমাধান খুঁজছেন? তবে আমি বলব যে আপনি সঠিক জায়গায় আছেন। ১৬ মার্চ ২০২২ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে আপনাদের প্রথম সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে।

সুতরাং এখনই আপনাদের এসাইনমেন্ট তৈরি করা শুরু করে দেওয়া উচিত। ৭ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ও সপ্তম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট দেখুন।  ৭ম শ্রেণির ধর্ম এসাইনমেন্ট সমাধান ডাউনলোড করুন। ৭ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ দেখে নিন। ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ২০২২ দেখুন।

সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা ২০২২

প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নির্দিষ্টসংখ্যক প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হবে। এবং অ্যাসাইনমেন্ট লিখতে হবে। তাই আপনাদের জন্য সপ্তম শ্রেণীর প্রথম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা এখানে দেওয়া হয়েছে। আপনারা যারা খুব চিন্তিত আছেন বাংলা বিষয় নিয়ে। তারা এখান থেকে অষ্টম (৮ম) শ্রেণীর খ্রিষ্টধর্ম অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ সংগ্রহ করতে পারবেন।

শিরোনাম: ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সাংস্কৃতিক উৎসবের পরিচয়

ক্ষুদ্র জাতিসত্তার ধারণা

এথনিক জাতিসত্তা হচ্ছে নিজস্ব পরিচিতি সম্পন্ন জনসম্প্রদায় বা বর্গ। তারা ভাষা, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ইতিহাস ইত্যাদির আলোকে বিশেষ পরিচিতি বোধ করে এবং অনুরূপ সম্প্রদায় থেকে নিজেদের পৃথক করে থাকে। রক্ত ও বৈবাহিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও ভাষা এথনিক গ্রুফের মানুষজনের মধ্যে অটুট বন্ধন সৃষ্টি করে। নিজেদের বন্ধন ও অন্যান্য জন গোষ্ঠী থেকে পার্থক্য এথনিক গ্রুফের মানুষের মনে সম্প্রদায় চেতনা জাগ্রত করে।

সাংস্কৃতিক উৎসবের ধারণা

উপজাতিরা এক উৎসব প্রিয় জাতি। জন্মের পর থেকেই ধর্মীয়, সামাজিক এবং ঋতু ভেদে বিভিন্ন উৎসব আনন্দে মেতে উঠেন তারা। উৎসব মুখর জীবন যাপন করে সারাজীবন। নিজ নিজ ধর্ম অনুসারে তাদের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন উৎসব। উৎসব রয়েছে নতুন বছর কে কেন্দ্র করেও। পুরাতন বছর কে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়ার জন্য পার্বত্য অঞ্চলের উপজাতিরা বৈসাবি পালন করে। মহাআনন্দে কাটায় এ উৎসবটি। ত্রিপুরাদের বৈইসুক, মারমাদের সাংগ্রাই এবং চাকমাদের বিজু উৎসব কে একত্রে বৈসাবি বলা হয়। বৈসাবি নিয়ে তো আমরা কম বেশি অনেকেই জানি। তবে আমরা উপজাতিদের অন্যান্য উৎসব সম্পর্কে কতটুকু অবগত? উপজাতিদের হাজারো উৎসব থেকে কিছু কিছু উৎসব সম্পর্কে আপনাদের জানাবো।

কারাম উৎসব :

সাঁওতাল, ওঁরাও, মালো, মুন্ডা, মাহাতো, ভুইমালি সম্প্রদায়ের আদিবাসীরা বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব পালন করে। ‘কারাম উৎসব’ নামক একটি বড় পূজা করে তারা। এটি তাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এই পূজার রীতিনীতি হচ্ছে কারাম গাছের ডালকে ঘিরে। কারাম নামক গাছের ডালকে ঘিরে এ পূজা হয় বলে এই উৎসবকে ‘ডাল পূজা’-ও বলা হয়।

ঋতু ভেদে উৎসব :

সাঁওতালরা বারো মাসে তেরো উৎসব পালন করে। এক কথায় এরা উৎসব মুখর জাতি। তাদের নতুন বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। নববর্ষে পালিত হয় বাহা উৎসব। নাচ গান করে আগমন করে নতুন বছরের। এছাড়াও এরা প্রতি ঋতুতে ভিন্ন ভিন্ন উৎসব পালন করে থাকে। যেমন- চৈত্র মাসে পালন করে বোঙ্গাবোঙ্গি, বৈশাখে হোম, জ্যৈষ্ঠমাসে এরো, আষাঢ় মাসে হাঁড়িয়াও, আশ্বিনে দিবি, পৌষ শেষে সোহরাই। বসন্তে তারা পালন করে ফুলফোটা উৎসব। বসন্ত উৎসবে তরুণ তরুণীরা তাদের সঙ্গী নির্বাচনের সুযোগ পায়। বিয়েতে কনেকে পণ দেয়ার প্রচলন রয়েছে। যদিও তা খুব সামান্য পরিমাণের হয়ে থাকে। বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত মেয়েদের পুরনায় বিয়ে করার প্রচলন রয়েছে সাঁওতাল সমাজে।

সোহরাই উৎসব

সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর একটি আকর্ষণীয় উৎসব হচ্ছে সোহরাই উৎসব। তাদের জীবনে প্রাণীর গুরুত্ব অপরিসীম। তাই তাদের গৃহপালিত পশুদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য সোহরাই উৎসব পালন করে এই আদিবাসী সম্প্রদায়। সোহরাই উৎসবের দিন সাঁওতাল গ্রামের মহাজনরা সভা ডেকে আগে থেকে দিন নির্ধারণ করে। তবে পৌষ বা মাঘ মাসের দিকে এই উৎসব পালন করা হয়। এই উৎসবের একটি রীতি হচ্ছে সাঁওতাল মেয়েরা তাদের বাপের বাড়ি যাওয়ার নেমত্তন পায়। এ দিনটি তারা নানা রকমের বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে নেচে গেয়ে পালন করে।

রাখাইন উৎসব

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী রাখাইনরা জন্মান্তরবাদ ও কর্মবাদে বিশ্বাসী। রাখাইন আদিবাসীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা। এছাড়াও আশ্বিনী পুর্ণিমা,কঠিন চীবর দান উৎসব এবং আষাঢ়ী পূর্ণিমার মত ধর্মীয় অনুষ্ঠান এরা পালন করে থাকে। রাখাইনদের বর্ষবরণের উৎসবকে বলা হয় সাংগ্রেই। টানা চার দিন ব্যাপী তাদের এই অনুষ্ঠান চলে। রাখানদের এই নবান্ন উৎসবে যাত্রা হয়, খেলা হয় জলকেলি। বছরের নতুন দিনের আনন্দে তৈরি হয় নানা রকমের পিঠাপুলি, বিন্নি ধানের ভাত এবং কাঁচা কচি ধানের চিড়া।

গারো উৎসব :

গারোদের বেশ কিছু উৎসবের মধ্যে আগাল মাক্কা বা আচিরক্কা, রংচু গাল্লা, জামে গাপ্পা-আহাওয়া, ওয়ানগালা অন্যতম। গারো সমাজে সন্তান জন্মদান পুরো গ্রামের জন্যে উৎসবের আমেজ থাকে। সবাই ওইদিন ‘চু-জাঙ্গি’ মদ পান করে। তাদের পালিত ওয়ানগালা উৎসবটি বেশ আকর্ষণীয়।

বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিসত্তার পরিচয় দিতে হবে

বাংলাদেশে পঁয়তাল্লিশটির মত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী আছে। যেমন চাকমা, ত্রিপুরা, সাঁওতাল, মান্দাই, মনিপুরী, খাসিয়া ইত্যাদি। বাংলাদেশ রাষ্ট্রে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর অবস্থান প্রান্তিক। এথনিক গ্রুফ গুলোর প্রতি আধিপত্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গি নেতিবাচক। এথনিক গ্রুফ গুলোর ভাষা ও অর্থনীতি হুমকীর সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। এথনিক গ্রুফের রাষ্ট্র কর্তৃক আক্রমণের শিকার হয় আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের পর। আধুনিক রাষ্ট্রে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলির অধিকারের প্রশ্ন সামনে আসে। কিন্তু রাষ্ট্র জাতীয় সংহতির প্রশ্নে খুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলির উপর আধিপত্য বিস্তারে সচেষ্ট হয়ে উঠে।

ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সাংস্কৃতিক উৎসবের বিবরণ দিতে হবে

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলি সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রেও অনেক সমৃদ্ধ। ঐতিহ্যগতভাবে তারা প্রকৃতি প্রেমিক। নিজেদের জীবন ও প্রকৃতির সঙ্গে সাযুজ্যময় করে ও প্রকৃতি থেকে প্রাণরস নিয়ে রচিত হয় তাদের শিল্পকর্ম। আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে আবালবৃদ্ধ বনিতা সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে গণউৎসবে মাতোয়ারা হয়ে যাওয়া। এজন্য বাঙ্গালীরা মনে করে তারা অনেক “আমোদপ্রিয়”। ঢাক, ঢোল, ঝাঁঝর, সানাই বাজিয়ে তারা উৎসবে মেতে উঠেন সংস্কৃতিক উৎসব গুলোতে।

চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাদের প্রধান উৎসব উদযাপিত হয় চৈত্রমাসের শেষ দুই দিন ও বৈশাখের প্রথম দিন। পুরাতন বছরকে বিদায় জানানোর ও নতুন বছরকে আহŸান জানানোর উৎসবে পানাহার, ঘুরে বেড়ানো, আত্মীয়দের সঙ্গে সাক্ষাত, নাচ-গান ও সকলে একত্রে আনন্দ করার জন্য উৎসব সাজানো হয়। চাকমাদের এই উৎসবের নাম ‘বিজু’। মারমাদের উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’ ও ত্রিপুরাদের উৎসবের নাম ‘বৈসুক’। বর্তমানে যখন পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলির ঐক্য রাজনৈতিক দাবী আদায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, তখন এই উৎসব উদযাপনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই তিনটি গোষ্ঠী এখন একত্রে ‘বৈসাবি’ নামে উক্ত উৎসব পালন করে।

মনিপুরীদের অন্যতম জাঁকজমকপূর্ণ উৎসব হচ্ছে বিষ্ণুপ্রিয়া হোলি উৎসব। এ উৎসবটি উদযাপিত হয় চৈতন্য দেবের জন্ম উপলক্ষে। ১১৮৬ সালে ফান্ডুন মাসের দোল পূর্ণিমার সন্ধ্যায় চন্দ্র গ্রহণের সময় তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। মনিপুরীদের আদি অপ্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম ‘আপোকপা’ এর বিশ্বাসের সঙ্গে বৈষ্ণব ধর্ম সংযোজিত হয়ে মিশ্র ধর্ম বিশ্বাসের জন্ম হয়। বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরীদের জীবনে কৃষ্ণপ্রেমই ঈশ্বরের সাধনা। আর চৈতন্যের জন্ম তিথিতে বাঁশ ও খড় দিয়ে তারা তৈরী করেন ঘরের ভিতর আরেকটি ছোট ঘর। এই ঘরের ভিতর ঘর চৈতন্যের ঘরের প্রতীক। এটি মনিপুরীদের গার্হস্থ্য জীবনের প্রতীক। পাঁচদিন ধরে মনিপুরীগণ ছোট বড়, নারী পুরুষ সকলে একত্রে আনন্দ উল্লাস ও রং খেলায় মেতে থাকেন।

ওঁরাওদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ‘কারাম উৎসব’। একটি পাতাময় গাছ পুতে তার নীচে ডুমুর, সুপারী, জল, মানকচু, দুধ, চিড়া দিয়ে তারা প্রকৃতির পূজা করেন। সাতদিন ধরে জনগোষ্ঠীর সকলে নাচে গানে আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে যান। আর সাত ভাইয়ের কাহিনী শোনেন। সাতভাই এর বড় ভাই কারাম ধারাম বাড়ীতে বসে না থেকে বাণিজ্য করতে যান ও সাতদিন পর ফিরে আসেন। ‘কর্মকে ধর্ম জ্ঞান করা’ ওঁরাওদের জীবন দর্শন। এটিই ওঁরাওদের ধর্ম। অনেক ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবিকা ছিল শিকার। বনাঞ্চলের উপর তারা নির্ভরশীল ছিলেন। ঐতিহ্যগতভাবে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষজন প্রকৃতি প্রেমিক।

সমাজ ও সভ্যতা গঠনে শ্রমজীবী মানুষের অবদান

উত্তর শুরুঃ

ভূমিকাঃ আমাদের সমাজে অনেক শ্রমজীবী মানুষ রয়েছে সামাজিক যারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। উনাদের কাজের জন্য আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খুব সহজে সমাধান করা সম্ভব হয়।

সমাজে কুলি, রাজমিস্ত্রি, কামার, ও মুচি এই চারজনের শ্রমজীবী মানুষের গুরত্ব বলে শেষ করা যাবেনা। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চার শ্রেণীর মানুষের অবদান অনেক। প্রতিটি স্টেপে তাদের কার্যক্রম আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

কিন্তু আমরা এই চার শ্রেণীর মানুষকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারিনা। আমাদের উচিত তাদের কর্মকাণ্ড করলো কে এবং তাদেরকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা।

সমাজে কুলি, রাজমিস্ত্রি, কামার, ও মুচি এই চারজনের শ্রমজীবী মানুষের অবদান ও মূল্যায়ন করার কিছু পদ্ধতি

আমরা দেখতে পাই প্রত্যাহিক জীবনে এসাইনমেন্ট উল্লেখিত ৪ শ্রেণীর মানুষ কুলি, কামার, রাজমিস্ত্রি ও মুচি মানুষদের অনেক অবদান রয়েছে।

শ্রমজীবী মানুষ ভালো না থাকলে আমাদের দৈনন্দিন জীবন আরো অনেক বেশি কঠিন হয়ে উঠত। এ সকল মানুষের অবদান ও আমরা যেভাবে তাদের মূল্যায়ন করতে পারি সে বিষয়ে কিছু আলোচনা উল্লেখ করা হলো।

সমাজে ‘কুলি’ শ্রমজীবী মানুষদের অবদান ও মূল্যায়ন

কুলিঃ ভাড়াটে শ্রমিক অথবা বোঝা বহনকারী অর্থে শব্দটি ব্যবহূত হয়। উনিশ শতক ও বিশ শতকের প্রথমদিকে

মাদাগাস্কার, মরিশাস, ফিজি, পশ্চিম ভারতীয় দেশসমূহ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশসমূহে চাষাবাদের জন্য ভারত ও চীন থেকে শ্রমিকদের চুক্তিপত্র সম্পাদনের মাধ্যমে নেওয়া হতো।

এ শ্রমিকদেরকে সাধারণভাবে কুলি আখ্যা দেওয়া হয়। যুগ যুগ ধরে কুলি-মজুরের মতো লাখোকোটি শ্রমজীবী মানুষের হাতে গড়ে উঠেছে মানব সভ্যতা। এই শ্রমজীবি মানুষের প্রতি সবার আচরণ পরিশীলিত হওয়ার কথা কবি বলেছেন।

সমাজে কুলিদের অবদান

আমাদের সমাজে নিম্নআয়ের শ্রমজীবী কুলিদের অনেক বেশি ভূমিকা রয়েছে। নিম্নে কুলিদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবদান আলোচনা করা হলো-

১. যাত্রীদের মালামাল পরিবহন করা করি দেশের অন্যতম কাজ। কুলিরা অত্যন্ত কম টাকায় রেলওয়ে স্টেশন বাস স্টেশন সহ বিভিন্ন জায়গায় যাত্রীদের ভারী মালামাল এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যায়।

২. ভারী বোঝা পরিবহন বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে গিয়ে আমাদের কষ্ট লাঘব করে কুলিরা।

৩. আমাদের নিয়মিত পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করে তোলে এই পেশাজীবী মানুষরা।

৪. কুলিরা মালামাল পরিবহনের মাধ্যমে যাত্রীদের সময় এবং কষ্ট অনেক কমিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে খুবই উপকার করে থাকে।

কুলি শ্রমজীবী মানুষদের মূল্যায়ন

যেহেতু কুলি পেশার শ্রমজীবী মানুষ ওরা আমাদের অনেক উপকার করে থাকে সুতরাং আমাদের উচিত কুলি শ্রমজীবী মানুষদের যথাযথ মূল্যায়ন করা।

যে সকল উপায়ে কুলি মজুর এর যথাযথ মূল্যায়ন করা যেতে পারে তার কয়েকটি নিম্নে আলোচনা করা হল।

ন্যায্য পাওনা দেওয়ার মাধ্যমেঃ আমরা অনেক সময় কুলিদের ন্যায্য পাওনা দিতে অনীহা প্রকাশ করি। আমাদের উচিত কলি পেশায় যারা কাজ করছেন তাদের সঠিক এবং ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করা।

সম্মান দেখানোঃ এ পেশায় যারা কাজ করেন তাদেরকে আমরা সাধারণত অন্য চোখে দেখি। তাদেরকে সম্মান দেখাতে চাইনা।

আমাদের উচিত কুলি পেশায় যারা কাজ করছেন তাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা এবং তাদের সাথে ভালো আচরণ করা।

অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে না দেওয়াঃ আমরা অনেক সময় এ ধরনের শ্রমজীবী মানুষদের অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বেশি কাজ আদায় করে নিতে চাই যা কোনোভাবেই উচিত নয়। আমরা পরিমিত কাজ প্রদানের মাধ্যমে তাদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে পারি।

প্রণোদনা দেওয়াঃ আমরা মাঝেমধ্যে কুলি শ্রমজীবী মানুষদের কাজের বিনিময় কিছু বাড়তি প্রণোদনা দিতে পারি। তাহলে তারা কাজে উৎসাহ পাবে এবং নিজেকে ছোট মনে করবে না।

উৎসাহ প্রদান করাঃ এই পেশায় কর্মরত পেশাজীবীদের যথাযথ উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে কাজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং কাজের মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

ভালো ব্যবহার করাঃ কুলি মজুর এর সাথে আমাদের ভালো ব্যবহার করা উচিত। এর মাধ্যমে আমরা তাদের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন করা করতে পারি।

পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদানঃ কুলি মজুর পেশায় কর্মরত শ্রমজীবীদের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে সমাজে তাদের অবদানের মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণঃ বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণঃ কুলি মজুর পেশায় কর্মরত শ্রমজীবী মানুষদের আত্মউন্নয়নের জন্য বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা যেতে পারে।

বিভিন্ন সামাজিক তহবিল সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের সামাজিক উন্নয়নের বিষয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে তাদের আত্মউন্নয়ন করে তাদের অবদান মূল্যায়ন করা যায়।

নাগরিক সুবিধার সমতাঃ দেশের যত রকম নাগরিক সুবিধা রয়েছে তার সবগুলোই একজন কুলি মজুর পেশায় কর্মরত শ্রমজীবী মানুষের দেওয়া উচিত। কোনভাবেই তাদের কাজের জন্য তাদেরকে ছোট ভাবে দেখা যাবে না এবং তাদেরকে সকলের মত সমান অধিকার দিতে হবে।

সমাজে ‘রাজমিস্ত্রি’ শ্রমজীবী মানুষদের অবদান ও মূল্যায়ন

রাজমিস্ত্রিঃ যে সব শ্রমিক ভবন, সড়কপথ, রেল, বিমানবন্দর, স্টেডিয়াম সহ বড় বড় স্থাপনা নির্মান, বিদ্যুত-পানি-গ্যাস-টেলিফোন লাইন স্থাপন ও মেরামত, জলাশয়, বাঁধ, জলাধার ও সুড়ঙ্গসহ যে কোন প্রকার উন্নয়ন প্রকল্পে যে কোন রকম স্থাপনা নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ এমনকী ভাঙার কাজ করছেন তাঁরাই নির্মাণ কর্মী বা রাজমিস্ত্রি।

একজন রাজমিস্ত্রির অধীনে কয়েকজন শ্রমিক কাজ করে থাকে।

সমাজে রাজমিস্ত্রি অবদান:

সভ্যতার বিনির্মাণঃ একজন রাজ মিস্ত্রি এবং রাজ শ্রমিক সভ্যতা সৃষ্টি হয়েছে। বড় বড় শহরের বড় বড় অট্টালিকা তৈরি পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান রয়েছে একজন রাজমিস্ত্রির। বলা যায় সভ্যতার বিনির্মাণ শুরু হয় রাজমিস্ত্রির হাত ধরে।

রাস্তা-ঘাট নির্মাণঃ আমাদের চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাঘাট নির্মাণ করে রাস্তাঘাট নির্মাণ করে রাজমিস্ত্রিরা।তারা সঠিকভাবে কাজ করে রাস্তাঘাট নির্মাণ করে বলেই আমরা অনায়াসে একস্থান থেকে অন্যস্থানে খুব দ্রুত যেতে পারি।

অবকাঠামোগত উন্নয়নে ভূমিকাঃ একটি দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে রাজমিস্ত্রি শ্রমজীবী মানুষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবন নির্মাণ থেকে শুরু করে যে কোন ধরনের স্থাপনা যেমন বিমান বন্দর, সমুদ্র বন্দর, স্টেডিয়াম, ভাস্কর্য, সেতু, উড়াল সড়ক, রাস্তা, বাঁধ, কৃত্রিম জলাধার, পানি-গ্যাস-তেল সঞ্চালন লাইন, পয়োনিষ্কাশন লাইন সহ নগরায়নের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে একজন নির্মাণ শ্রমিকের কাজ।

৪. জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করাঃ একজন রাজমিস্ত্রি রাজমিস্ত্রি শ্রমিক যখন উঁচু উঁচু ভবন নির্মাণের কাজ করেন তখন তাদের জীবনের অনেক ঝুঁকি থাকে।

১০/১৫ তলা ভবনের কাজে যখন একজন নির্মাণ শ্রমিক রাজমিস্ত্রি বিভিন্ন জিনিসপত্র ওঠানামার করেন তখন যে কোন মুহূর্তে তাদের মৃত্যু হতে পারে।

রাজমিস্ত্রি শ্রমজীবী মানুষদের মূল্যায়নঃ

নিজেদের জীবনের মা রান্না করে যারা পৃথিবীর সভ্যতা নির্মাণের কাজ করে যাচ্ছে সে সকল রাজমিস্ত্রিদের সঠিক মূল্যায়ন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। যেভাবে তাদের মূল্যায়ন করতে পারে তার কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলো।

কাজের সঠিক পারিশ্রমিক দেওয়াঃ রাজমিস্ত্রি পেশায় কাজ করা শ্রমজীবী মানুষদের কাজের পর্যাপ্ত পারিশ্রমিক দিয়ে তাদের কাজের মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করাঃ রাজমিস্ত্রি কাজ অর্থাৎ নির্মাণকাজ যেহেতু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় সেহেতু রাজমিস্ত্রি কাজ করা লোকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদের কর্ম দক্ষতা উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।

অতিরিক্ত কাজের সম্মানী প্রদানঃ যখন আমরা রাজমিস্ত্রির শ্রমজীবী মানুষদের দিয়ে অতিরিক্ত কোন কাজ করায় সাথে সাথে তাদের সেই কাজের অতিরিক্ত সম্মানী প্রদান করতে হবে।

ঝুঁকিভাতা প্রদানঃ রাজমিস্ত্রি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করে থাকে। তাই তাদের কাজের যুগে অনুযায়ী তাদেরকে প্রয়োজনীয় ঝুঁকি ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

নিরাপত্তা প্রদানঃ রাজ কাজে জড়িত মিস্ত্রিদের জীবনের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বিধানের ব্যবস্থা করতে হবে।

পারিবারিক নিশ্চয়তাঃ কোন রাজমিস্ত্রি বা নির্মাণ শ্রমিক কাজ করতে গিয়ে যদি মারা যায় তাহলে তাদের পরিবারের ভরণ পোষণের জন্য রাষ্ট্রীয় বা সামাজিকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা যেতে পারে।

সামাজিক অধিকারের নিশ্চয়তাঃ নির্মাণ কাজে জড়িত কোন রাজমিস্ত্রি বা নির্মাণ শ্রমিককে কোনোভাবেই সামাজিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।

সকল সামাজিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে তাদের কাজের মূল্যায়ন করতে হবে।

পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম প্রদানঃ একজন নির্মাণশ্রমিকের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সামগ্রী প্রদান করে তাদের কাজকে আরও সহজ ও গতিশীল করা যেতে পারে।

অতিরিক্ত চাপ থেকে বিরত রাখাঃ একজন নির্মাণশ্রমিক যেহেতু অনেক বেশি কায়িক পরিশ্রম করেন তাদেরকে অবশ্যই অতিরিক্ত চাপ না দেওয়া উচিত।

তাদের কাজকে সহজ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

সমাজে ‘কামার’ শ্রমজীবী মানুষদের অবদান ও মূল্যায়ন

কামারঃ কামার একটি প্রাচীন পেশার নাম যার কাজ লোহার জিনিসপত্র তৈরি করা। মূলত হিন্দু ধর্মের জনগোষ্ঠী এই পেশায় জড়িত। একসময় গৃহস্থালি ও কৃষিকাজে ব্যবহৃত অধিকাংশ লৌহযাত যন্ত্রপাতি কামাররা প্রস্তুত করতেন।

এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল দা, বটি, পেরেক, শাবল, কুড়াল, ছুরি ইত্যাদি।

কামারের কর্মস্থলকে বলে কামারশালা। কামারশালায় হাপর দিয়ে কয়লার আগুন-কে উস্কে রাখা হয়। এই আগুনে লোহা গরম করে তাকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকারের জিনিস তৈরি হয়।

সমাজে কামারদের অবদান:

বাংলার ঐতিহ্যের ধারকঃ কামার পেশায় কর্মরত শ্রমজীবী মানুষ সারা বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত বিভিন্ন জিনিস বানিয়ে বাংলার ঐতিহ্য ধারণ করার কাজ করে যাচ্ছেন।

দৈনন্দিন যন্ত্রপাতি প্রস্তুতঃ কামার পেশায় কর্মরত ব্যক্তিরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যেমন দা, কাঁচি, বঁটি, কুড়াল ইত্যাদি বানিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন।

স্বল্পমূল্যে যন্ত্রপাতি সরবরাহঃ কামার রা কায়িক শ্রমের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি অল্প মূল্যে আমাদের নিকট সরবরাহ করে থাকে।

কামার পেশাজীবীদের অবদান মূল্যায়ন:

যেহেতু কামার পেশার শ্রমজীবী মানুষ ওরা আমাদের অনেক উপকার করে থাকে সুতরাং আমাদের উচিত কামার শ্রমজীবী মানুষদের যথাযথ মূল্যায়ন করা।

যে সকল উপায়ে কামার এর যথাযথ মূল্যায়ন করা যেতে পারে তার কয়েকটি নিম্নে আলোচনা করা হল।

ন্যায্য পাওনা দেওয়ার মাধ্যমেঃ আমরা অনেক সময় কামার ন্যায্য পাওনা দিতে অনীহা প্রকাশ করি। আমাদের উচিত কামার পেশায় যারা কাজ করছেন তাদের সঠিক এবং ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করা।

সম্মান দেখানোঃ এ পেশায় যারা কাজ করেন তাদেরকে আমরা সাধারণত অন্য চোখে দেখি। তাদেরকে সম্মান দেখাতে চাইনা।

আমাদের উচিত কামার পেশায় যারা কাজ করছেন তাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা এবং তাদের সাথে ভালো আচরণ করা।

অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে দেওয়াঃ আমরা অনেক সময় এ ধরনের শ্রমজীবী মানুষদের অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বেশি কাজ আদায় করে নিতে চাই যা কোনোভাবেই উচিত নয়। আমরা পরিমিত কাজ প্রদানের মাধ্যমে তাদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে পারি।

প্রণোদনা দেওয়াঃ আমরা মাঝেমধ্যে কামার শ্রমজীবী মানুষদের কাজের বিনিময় কিছু বাড়তি প্রণোদনা দিতে পারি। তাহলে তারা কাজে উৎসাহ পাবে এবং নিজেকে ছোট মনে করবে না।

উৎসাহ প্রদান করাঃ এই পেশায় কর্মরত পেশাজীবীদের যথাযথ উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে কাজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং কাজের মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

ভালো ব্যবহার করাঃ কামার এর সাথে আমাদের ভালো ব্যবহার করা উচিত। এর মাধ্যমে আমরা তাদের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন করা করতে পারি।

পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদানঃ কামার পেশায় কর্মরত শ্রমজীবীদের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে সমাজে তাদের অবদানের মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণঃ কামার পেশায় কর্মরত শ্রমজীবী মানুষদের আত্মউন্নয়নের জন্য বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা যেতে পারে।

বিভিন্ন সামাজিক তহবিল সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের সামাজিক উন্নয়নের বিষয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে তাদের আত্মউন্নয়ন করে তাদের অবদান মূল্যায়ন করা যায়।

নাগরিক সুবিধার সমতাঃ দেশের যত রকম নাগরিক সুবিধা রয়েছে তার সবগুলোই একজন কামার পেশায় কর্মরত শ্রমজীবী মানুষের দেওয়া উচিত।

কোনভাবেই তাদের কাজের জন্য তাদেরকে ছোট ভাবে দেখা যাবে না এবং তাদেরকে সকলের মত সমান অধিকার দিতে হবে।

সমাজে ‘মুচি’ শ্রমজীবী মানুষদের অবদান ও মূল্যায়ন

মুচিঃ জুতা তৈরি এবং জুতা মেরামতের কাজ করেন। ত্রুটিযুক্ত বা পুরানো জুতা-সেন্ডেল মেরামত করে রং মাখিয়ে চাকচিক্য সৃষ্টি করাও এদের কাজ।

মুচি ও চামার প্রকৃত অর্থে পৃথক দুটি সস্প্রদায় হলেও তারা একে অপরের ঘনিষ্ঠ। চামার সস্প্রদায় পশুচামড়া সংগ্রহ করেন।

এরা গ্রামের বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে এমনকি ঈদুল আযহার সময় মুসলিম পরিবারসমূহ থেকেও পশুচামড়া সংগ্রহ করেন।

সমাজে মুচি অবদান:

মুচি হিসেবে কাজ করা শ্রমজীবী মানুষ রা আমাদের জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিম্নে তা আলোচনা করা হল।

১. পুরাতন জুতা মেরামত করার মাধ্যমে মুচি সম্প্রদায়ের মানুষেরা আমাদের অর্থ সাশ্রয় করে থাকে।

২. অল্প টাকায় কাজ করে তারা আমাদের জুতা চামড়াজাত পণ্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার কাজ করে থাকে।

৩. চামড়া এবং চামড়া দিয়ে তৈরি বিভিন্ন পণ্যের চাকচিক্য ধরে রাখার জন্য তাদের অবদান অনস্বীকার্য।

৪. ওদের কাজের মাধ্যমে আমাদের সৌন্দর্য এবং সভ্য হতে সাহায্য করে।

মুচি পেশাজীবীদের অবদান মূল্যায়ন:

যেহেতু মুচি পেশার শ্রমজীবী মানুষ ওরা আমাদের অনেক উপকার করে থাকে সুতরাং আমাদের উচিত কামার শ্রমজীবী মানুষদের যথাযথ মূল্যায়ন করা।

যে সকল উপায়ে কামার এর যথাযথ মূল্যায়ন করা যেতে পারে তার কয়েকটি নিম্নে আলোচনা করা হল।

১. ন্যায্য পাওনা দেওয়ার মাধ্যমেঃ আমরা অনেক সময় কামার ন্যায্য পাওনা দিতে অনীহা প্রকাশ করি। আমাদের উচিত মুচি পেশায় যারা কাজ করছেন তাদের সঠিক এবং ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করা।

২. সম্মান দেখানোঃ এ পেশায় যারা কাজ করেন তাদেরকে আমরা সাধারণত অন্য চোখে দেখি। তাদেরকে সম্মান দেখাতে চাইনা।

আমাদের উচিত মুচি পেশায় যারা কাজ করছেন তাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা এবং তাদের সাথে ভালো আচরণ করা।

৩. অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে দেওয়াঃ আমরা অনেক সময় এ ধরনের শ্রমজীবী মানুষদের অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বেশি কাজ আদায় করে নিতে চাই যা কোনোভাবেই উচিত নয়।

আমরা পরিমিত কাজ প্রদানের মাধ্যমে তাদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে পারি।

৫. প্রণোদনা দেওয়াঃ আমরা মাঝেমধ্যে মুচি শ্রমজীবী মানুষদের কাজের বিনিময় কিছু বাড়তি প্রণোদনা দিতে পারি। তাহলে তারা কাজে উৎসাহ পাবে এবং নিজেকে ছোট মনে করবে না।

৬. উৎসাহ প্রদান করাঃ এই পেশায় কর্মরত পেশাজীবীদের যথাযথ উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে কাজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং কাজের মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

৭. ভালো ব্যবহার করাঃ মুচি এর সাথে আমাদের ভালো ব্যবহার করা উচিত। এর মাধ্যমে আমরা তাদের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন করা করতে পারি।

৮. পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদানঃ মুচি পেশায় কর্মরত শ্রমজীবীদের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে সমাজে তাদের অবদানের মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

৯. বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণঃ মুচি পেশায় কর্মরত শ্রমজীবী মানুষদের আত্মউন্নয়নের জন্য বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা যেতে পারে।

বিভিন্ন সামাজিক তহবিল সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের সামাজিক উন্নয়নের বিষয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে তাদের আত্মউন্নয়ন করে তাদের অবদান মূল্যায়ন করা যায়।

১০. নাগরিক সুবিধার সমতাঃ দেশের যত রকম নাগরিক সুবিধা রয়েছে তার সবগুলোই একজন মুচি পেশায় কর্মরত শ্রমজীবী মানুষের দেওয়া উচিত।

কোনভাবেই তাদের কাজের জন্য তাদেরকে ছোট ভাবে দেখা যাবে না এবং তাদেরকে সকলের মত সমান অধিকার দিতে হবে।

৭ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট ডাউনলোড করুন। সাথে আরও পাবেন ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ইসলাম। তাই দেখুন সপ্তম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট। সপ্তম শ্রেণীর দ্বিতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট দেখে নিন।

৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ৯ম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান দেখুন

নবম শ্রেণী চারু ও কারুকলা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

নবম শ্রেণী অর্থনীতি অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

নবম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

নবম শ্রেণি কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

নবম শ্রেণির উচ্চতর গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৯ম শ্রেণি গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৬ষ্ঠ শ্রেণীর গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৬ষ্ঠ শ্রেণীর কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৬ষ্ঠ শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৭ম শ্রেণীর গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

সপ্তম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৭ম শ্রেণি গার্হস্থ্য বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৮ম শ্রেণীর গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ‌২০২২

৮ম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৮ম শ্রেণী গার্হস্থ্য বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

class 7 bangla 5th

উত্তর শুরুঃ 

class 7 bangla bangla assignment 1 bangla assignment 2 bangla assignment 3 bangla assignment 4

২০ ত ম সপ্তাহের ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ৯ম অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান পেতে নিচের লিংকে ক্লিক  করুন  

নবম (৯ম) শ্রেণীর পৌরনীতি ও নাগরিকতা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ 

নবম (৯ম) শ্রেণির ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

নবম (৯ম) শ্রেণী জীববিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৯ম শ্রেণি ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ 

অষ্টম (৮ম) শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

অষ্টম (৮ম) শ্রেণি ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ 

সপ্তম (৭ম) শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

সপ্তম (৭ম) শ্রেণির ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ 

ষষ্ঠ (৬ষ্ঠ) শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৬ষ্ঠ শ্রেণি ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ 

সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট

এখানে ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট হিন্দু ধর্ম, ৭ম শ্রেণির ইসলাম ধর্ম এসাইনমেন্ট উত্তর দেয়া হয়েছে। আপনারা যারা সপ্তম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট ডাউনলোড করুন চান। তারা ৭ম শ্রেণির হিন্দু ধর্ম অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ডাউনলোড করুন।

৭ম শ্রেণির ধর্ম এসাইনমেন্ট সমাধান খুব সুন্দর করে দেওয়া হয়েছে। তাই দেরি না করে ৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা উত্তর দেখুন। ৭ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান জেনে নিন। ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট সবার জন্য দেওয়া হয়েছে। সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ইসলাম ধর্ম সবাধান নিতে ভুলবেন না।

ষষ্ঠ (৬ষ্ঠ) শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর (১০০% সঠিক)

সপ্তম (৭ম) শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর (১০০% সঠিক)

অষ্টম (৮ম) শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর (১০০% সঠিক)

নবম (৯ম) শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর (১০০% সঠিক)

আপনাদের সবার কথা চিন্তা করে আজকের এই পোস্টে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ইসলাম ধর্ম উত্তর এবং ষষ্ঠ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ধর্ম দেওয়া হয়েছে। আপনারা ৬ষ্ঠ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ বাংলা পিডিএফ ডাউনলোড করতে পারবেন।

তাই ৬ষ্ঠ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ হিন্দুধর্ম উত্তর সবার সাথে শেয়ার করবেন। পরবর্তী সপ্তাহের সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট হিন্দুধর্ম উত্তর পেতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন।

৭ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

class 7 bangla assignement answer

আপনারা যারা সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট হিন্দুধর্ম উত্তর পেতে চান তাদের জন্য আমাদের পোস্টের সপ্তম শ্রেণীর ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট তুলে ধরা হয়েছে। এখান থেকে আপনারা খুব সহজেই সপ্তম শ্রেণীর ধর্ম অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান পাবেন।

তাই আর দেরি না করে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে ৭ম শ্রেণির ইসলাম ধর্ম এসাইনমেন্ট উত্তর দেখে নিন। সবার সাথে ৭ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট হিন্দু ধর্ম শেয়ার করুন। সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা দেখে নিন।

৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট হিন্দু ধর্ম Class 7 Hindu Dhormo Assignment Answer 2022

৭ম শ্রেণির ইসলাম ধর্ম এসাইনমেন্ট উত্তর Class 7 Islam Assignment Answer 2022

৭ম শ্রেণি এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা ২০২২  Class 7 Bangla Assignment Answer 2022 

৭ম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ বাংলা সমাধান Class 7 Assignment Answer 2022 Bangla

৭ম শ্রেণির বৌদ্ধ ধর্ম এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ Class 7 Buddhism Assignment Answer 2022 

৭ম শ্রেণি খ্রিষ্ট ধর্ম এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২  Class 7 Christanity Assignment Answer 2022 

অষ্টম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

আমরা দেখতে পাচ্ছি অনেকেই ৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ইসলাম ধর্ম পাওয়ার জন্য অনুসন্ধান করছেন। তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট এ ৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ইসলাম ধর্ম উত্তর দেয়া হয়েছে। আপনারা খুব সহজেই ৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা উত্তর দেখতে পারবেন। তাই অবশ্যই সবার সাথে অষ্টম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট শেয়ার করবেন। ৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সবার জন্য অনেক দরকারি।

৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ইসলাম ধর্ম উত্তর

৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা উত্তর

Class 8 Assignment 2022 Hindu Dhormo

৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট হিন্দু ধর্ম উত্তর

অষ্টম (৮ম) শ্রেণির ইসলাম ধর্ম অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

যারা নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান পেতে চান। তাদের জন্য আজকে আমাদের এই পোস্টে নবম শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান দেওয়া হয়েছে। যারা ৯ম শ্রেণীর বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ পেতে চান তাদের জন্য সকল বিষয় এখানে দেওয়া হয়েছে। আপনারা খুব সহজেই ৯ম শ্রেণি বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান দিতে পারবেন।

৯ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ Class 9 Bangla Assignment Answer 2022

৯ম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট সমাধান ‌২০২২ Class 9 Science Assignment Answer 2022 

৯ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়‌ এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ Class 9 BGS Assignment Answer 2022

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের ক্রমঃ

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ-১

অধ্যায় ও অধ্যায়ের শিরােনামঃ

গদ্য

পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত পাঠ নম্বর ও বিষয়বস্তুঃ

কাবুলিওয়ালা, (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজঃ

যৌক্তিকতা নিরুপণঃ

নিচে উল্লিখিত অংশটি সাধুরীতিতে রচিত।

উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে তার যৌক্তিকতা তুলে ধর।

‘সংবাদ পাইলাম, কাবুলিওয়ালার সহিত মিনির এই যে দ্বিতীয় সাক্ষাৎ তাহা নহে, ইতােমধ্যে সে প্রায় প্রত্যহ আসিয়া পেস্তা বাদাম ঘুষ দিয়া মিনির ক্ষুদ্র হৃদয়টুকু অনেকটা অধিকার করিয়া লইয়াছে।”

Class 7 Bangla Assignment Answer 2022 PDF Download

৭ম শ্রেণির বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ প্রশ্নের সমাধান ডাউনলোড (সকল সপ্তাহ)

এসাইনমেন্ট সংক্রান্ত নির্দেশনাঃ

*** শিক্ষার্থীরা বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি বইয়ের সহায়তা নিয়ে সাধুরীতির ৪৫টি বৈশিষ্ট্য লিখবে।
*** উল্লিখিত পাঠ থেকে সর্বনাম, ক্রিয়াপদ, অব্যয় ও তৎসম শব্দের দৃষ্টান্ত চিহ্নিত করবে।
*** যৌক্তিকতা সহ উপসংহার লিখবে।
মূল্যায়ন রুব্রিক্সঃ

অতি উত্তম:

১. বিষয়বস্তুর সঠিকতা;
২. যথাযথ দৃষ্টান্ত;
৩. বানান শুদ্ধতা;
৪. মৌলিকতা/নিজস্বতা
উত্তম: ১ টির ক্ষেত্রে ঘাটতি

ভালো: ২-৩ টির ঘাটতি

অগ্রগতি প্রয়ােজন: সকলক্ষেত্রেই ঘাটতি

৭ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

আপনারা অনেকেই সপ্তম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান খুঁজছেন। তাদের জন্য আমরা বাংলা বিষয়ের সপ্তম শ্রেণীর সমাধান এখানে দিয়েছি। ক্লাস ৭ বাংলা বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান খুব সহজেই ডাউনলোড করতে পারবেন। তাই পোস্টটি ভালোভাবে লক্ষ্য করুন।

৭ম শ্রেণীর ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

৭ম শ্রেণীর হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৭ম শ্রেণীর বৌদ্ধ ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ 

৭ম শ্রেণীর খ্রিষ্ট ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৭ম শ্রেণীর সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

সপ্তম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

প্রথম সপ্তাহের সপ্তম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর আমরা সঠিকভাবে এখানে তুলে ধরেছি। ৭ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট প্রশ্নের উত্তর ২০২২ আমরা দিয়েছি আমাদের এই পোস্টে। আপনারা শয়তান শ্রেণির বাংলা সেমেন্ট খুব সহজেই এখান থেকে দেখতে পারবেন। এবং অবশ্যই সবার সাথে উত্তরগুলো শেয়ার করবেন।

সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য ঃ
১. সাধু ভাষা সুনির্ধারিত ব্যাকরণের অনুসারী । এর কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়।
২. সাধু ভাষার উচ্চারণ গুরুগন্তীর।
৩. সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদের রুপ পূর্ণাঙ্গ ।
৪. সাধু ভাষায় সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ ৷
৫. সাধু ভাষায় অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।
৬. সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের সেংস্কৃত শব্দ) প্রয়োগ বেশি ।
৭. সাধু ভাষা বক্তৃতা ও নাট্য সংলাপের অনুপযোগী ।

উল্লিখিত পাঠ থেকে বিভিন্ন পদের দৃষ্টান্ত চিহ্নিতকরণঃ
উদ্দীপকের উল্লিখিত অংশটি সাধু রীতিতে রচিত। উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে তার যৌক্তিকতা তুলে ধরা হলো।

উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ক্রিয়াপদ অব্যয় ও তৎসম শব্দ গুলোর দৃষ্টান্ত নিম্নে চিহ্নিত করা হলোঃ

সর্বমান ঃ তাহা
ক্রিয়াঃ পাইলাম, আসিয়া, দিয়া, করিয়া, লইয়াছে।
অব্যয়ঃ সহিত, ইতোমধ্যে
তৎসম শব্দঃ সাক্ষাৎ, ক্ষুদ্র, হৃদয়।

সাধু ভাষার যোক্তিকতা ঃ
আমরা জানি সাধু ভাষায় সর্বনাম ও ক্রিয়া পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয় । অনুচ্ছেদটিতেও সর্বনাম ও ক্রিয়া পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়েছে যেমন -তাহা, আসিয়া, করিয়া ইত্যাদি । সাধু ভাষায় অনুসর্গের পূর্ণাপ রূপ ব্যবহৃত হয় । অনুচ্ছেদটিতে দিয়া অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে ।

এছাড়াও উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটিতে কিছু তৎসম শব্দের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায় যেমন – সাক্ষাৎ, ক্ষুদ, হৃদয়। যেগুলো দেখে আমরা খুব সহজেহ বুঝতে পারি, উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটি সাধু ভাষায় লিখিত হয়েছে।

অর্থাও উদ্দীপকের উল্লিখিত অংশটি সাধু রীতিতে রচিত।

উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে তার যোক্তিকতা নিরূপণ করা হলো।

সপ্তম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ ছবি 

অনেকেই ৭ম অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান জানতে চান। তাদের জন্য এখানে ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট বাংলা ও ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট হিন্দু ধর্ম শেয়ার করুন। এবং সপ্তম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট দেয়া হয়েছে।

Subscribe Our Youtube Video: 

class 7 bangla assignment

class 7 bangla answer

class 7 bangla assignment solution

শেষ কথা

আশা করি আমাদের পোষ্ট থেকে সপ্তম শ্রেণির বাংলা সেমেন্ট সমাধান খুঁজে পেয়েছেন। সপ্তম শ্রেণীর সকল সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান পেতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। এবং আরো নতুন আপডেট জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

সকল অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান জানতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সকল এসাইনমেন্ট সল্যুশন

আরও দেখুনঃ 

সপ্তম (৭ম) শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান সকল বিষয় ২০২২

ষষ্ঠ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা ২০২২ 

Class 6 Assignment Answer PDF Download 2022

Class 7 Assignment Answer PDF Download 2022

Class 8 Assignment Answer PDF Download 2022

Class 9 Assignment Answer PDF Download 2022

সপ্তম শ্রেণীর খ্রিস্টধর্ম অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

অষ্টম (৮ম) শ্রেণীর খ্রিষ্টধর্ম অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

ষষ্ঠ (৬ষ্ঠ) শ্রেণির খ্রিস্টধর্ম অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

Tech Tips

টিপস নেট বিডি সকল ধরনের প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে। বিভিন্ন ধরনের শিক্ষামূলক, কৃষি, প্রযুক্তি, বিনোদনমূলক, কুইজ প্রতিযোগিতা, পরীক্ষার রেজাল্ট। সকল ধরনের তথ্য দিয়ে আমরা সাহায্য করে থাকি। নতুন তথ্য পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button