Assignmentএইচএসসি এসাইনমেন্ট

এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ – ৯ম সপ্তাহের

যারা এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ জানতে চান। তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট টা তুলে ধরা হয়েছে এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর। নতুন সপ্তাহের এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান পেতে অনেকেই ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে।

তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট এ প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর তুলে ধরা হয়েছে। আপনি খুব সহজেই প্রথম সপ্তাহের এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান জানতে পারবেন আমাদের পোষ্ট থেকে। তাই বাংলা বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান পেতে আজকের এই পোষ্ট মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

দীর্ঘদিন বাংলাদেশের বিভিন্ন কলেজ বন্ধ থাকায়। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা বোর্ড এইচএসসি অ্যাসাইনমেন্ট প্রক্রিয়া চালু করেছে। তাই বেশির ভাগ শিক্ষার্থী ইন্টারনেটে এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর লিখে অনুসন্ধান করছে।

আপনারা যাতে ঘরে বসে অতি দ্রুত এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান করতে পারেন। তার জন্য প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেয়া হয়েছে আজকের এই পোস্টে।

এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ‌২০২২

আমরা সবাই চাই অ্যাসাইনমেন্ট এর মাধ্যমে ভালো নাম্বার আনার জন্য। তাই আমরা দক্ষ শিক্ষক দ্বারা এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ‌২০২২ তুলে ধরেছি আজকের এই পোস্টে। আপনারা খুব সহজেই অতি দ্রুত আপনাদের এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর খুঁজে পাবেন।

নবম (৯ম) শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

অষ্টম (৮ম) শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

সপ্তম (৭ম) শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

ষষ্ঠ (৬ষ্ঠ) শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট প্রশ্নের সমাধান ২০২২

যারা এখনো প্রথম সপ্তাহের এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট প্রশ্ন সমাধান খুঁজে পাননি। তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট খুঁজে খুঁজে প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেয়া হয়েছে আমাদের এই পোস্টে। তাই নিজে থেকে দেখে নিন এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট প্রশ্ন এবং উত্তর।

উত্তর শুরুঃ

১) অপরিচিতা গল্পে কল্যাণীর সংকট হলাে সঠিক সময়ে বিবাহ না হওয়া।

মেয়ের বয়স পনেরাে শুনে লেখকের মামার মন ভার হলাে। কারণ তিনি মনে করলেন যে, ঐ মেয়ের বংশে কোন দোষ আছে। তখন আট থেকে দশ বছর বয়সের মধ্যে কন্যার বিয়ে দেওয়ার রীতি ছিল। এ সময়ের মধ্যে মেয়ের বিয়ে না হলে মনে করা হতাে যে মেয়ের বংশে কোন দোষ আছে।

যে কারণে মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না। যে মেয়ের সাথে অনুপমের বিয়ের কথা চলছিল তার বয়স পনেরাে। পনেরাে বছর বয়সেও মেয়ের বিয়ে হয়নি,এমনটি ভেবে অনুপমের মামার মন ভার হলাে। কল্যাণী উচ্চশিক্ষিতা,রুচিশীল মেয়ে। শিক্ষকতাকে তিনি জীবনের ব্রত হিসাবে নিয়েছেন। তার শিক্ষাদীক্ষার কারণে বিবাহের সংকট দৃঢ়তার সাথে মােকাবেলা করেছেন।

২) অপরিচিতা গল্পে কল্যাণী ছিল বেশ সুন্দরী ও প্রাণচঞ্জল। আর পিতা শম্ভুনাথ বাবু ছিলেন স্পষ্টভাষী ও একজন সুপুরুষ ব্যক্তি, অন্যদিকে অনুপমের মামা বিয়ের পণ, যৌতুক সম্পর্কে কোন প্রকার ছাড় বা আপস করতে রাজি নন। এখানেই গল্পের কাহিনী জটিলতায় রূপ নেয়।

রীতিমতাে বেশ আয়ােজনের মধ্যে দিয়ে যদিও বিয়ের কাজ শুরু হয়েছিল,কিন্তু এক পর্যায়ে দেনা পাওনা কারণে সব আনন্দ আয়ােজন এক মুহুর্তেই ধূলিস্যাৎ হয়ে যায় অথ্যাৎ যৌতুকের জন্য বিয়ে ভেঙ্গে যায়।এই গল্পে অনুপমের চরিত্রের সীমাহীন দুর্বলতা ও নিবুদ্ধিতার পরিচয় পাওয়া যায়। অনুপম ও তার মামা ভুমিকা যদি ইতিবাচক হতাে তাহলে কল্যাণীর সংসার সুখময় হতাে বলে আমি মনে করি। বিবাহ ভেঙে যাওয়ায় প্রধান কারণ হলাে অনুপমের দুর্বলতা ও তার মামা যৌতুক প্রবনতা।

৩) পঠিত গল্প অনুসারে নারীকে এগিয়ে চলার পথে প্রতিবন্ধকতাগুলাে হলােঃ

ক) শিক্ষার অভাব
খ) কুসংস্কার
গ) ধর্মীয় গোঁড়ামি
ঘ) পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা

নারী উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় নিম্নে ব্যাখা করা হলােঃ

”বিশ্বে যা কিছু মহান চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।”

সাম্যবাদী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই সত্য উচ্চারণ করলেও আজও আমাদের সমাজে তার যথাযথ স্বীকারােক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও আজও মানুষের ধ্যান-ধারণার তেমন পরিবর্তন হয়নি। এখনও সমাজের প্রতিটি স্তরে স্তরে নারীদের প্রতিবন্ধকতার মুখােমুখি হতে হয়।

অশিক্ষা, দারিদ্র্য আর কুসংস্কারে ডুবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারীর প্রথম বাধাটা আসে পরিবার থেকে। অভিধানে ‘উন্নয়নে নারী বা নারী উন্নয়ন’ একটি অতি আধুনিক সংযােজন। এই ধারণা বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকার করে। নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন দুটি বিষয়ই একটি অন্যটির পরিপূরক। নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে নারী উন্নয়ন বিষয়টি বিশেষ ভূমিকা রাখে।

বিশ্বের উন্নত দেশগুলােতেই যেখানে নারীদের পদযাত্রায় বারবার হোঁচট খেতে হয়, সেখানে তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশের নারী হিসেবে বাঙালি নারীদের প্রতিটি পদক্ষেপে অনেক বেশি প্রতিবন্ধকতার মুখােমুখি হতে হয়। অশিক্ষা, কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামি, পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা নারী উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়।

অথচ সময় পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নারীরা আজ শুধু রান্নাঘরেই সীমাবদ্ধ নেই, নারীরা পৌঁছে গেছেন বিমানের ককপিট থেকে পর্বতশৃঙ্গে। দশভুজা নারী ঘরে-বাইরে নিজেকে আলােকিত করছেন নিজ প্রজ্ঞা আর মেধা দিয়ে। বর্তমানে এমন কোনাে পেশা নেই যেখানে নারীর মর্যাদাপূর্ণ উপস্থিতি নেই। দেশে এখন প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দু’জন নারী। জাতীয় সংসদের স্পিকার একজন নারী। বর্তমানে সবক্ষেত্রেই রয়েছে নারীর পদচারণা।

নারীর সমাধিকার ও নারীমুক্তির কথা যতই বলা হােক না কেন- উন্নত, অনুন্নত, উন্নয়নশীল সব দেশেই নারীরা কম-বেশি সহিংসতা ও বৈষম্যের শিকার। সামাজিক প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও নারীর প্রতি সহিংসতার চিত্র সবক্ষেত্রে প্রায় একই।

বাংলাদেশের মােট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশই নারী, কিন্তু নারীর অগ্রগতি ও উন্নয়ন পরিলক্ষিত হচ্ছে। খুব অল্প সংখ্যক নারীর মধ্যেই। তাদের অনেকেই নিজের সিদ্ধান্তে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারেন না এবং নিজের বস্তুগত ক্ষমতার পরিসরও স্বাধীনভাবে ব্যবহার করতে বাধাগ্রস্ত হন।

নারীশিক্ষার বিষয়টি আমাদের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে অপরিহার্যভাবে জড়িত। নেপােলিয়ন বলেছিলেন, ‘আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি শিক্ষিত জাতি দেব।’ এ বিষয়ে আরবিতেও। একটি প্রবাদ আছে, ‘একজন পুরুষ মানুষকে শিক্ষা দেওয়া মানে একজন ব্যক্তিকে শিক্ষা দেওয়া।

আর একজন নারীকে শিক্ষা দেওয়া মানে একটি গােটা পরিবারকে শিক্ষিত করে তােলা।’ তাই নারীশিক্ষার গুরুত্ব বর্ণনাতীত। তথাপি শিক্ষা ক্ষেত্রেও এ বৈষম্যের কোনাে শেষ নেই। যদিও শিক্ষার প্রাথমিক স্তরে এখন নারীদের অংশগ্রহণ শতভাগ।

মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠন। বাংলাদেশের সংবিধান দ্বারাও তা স্বীকৃত। কিন্তু প্রায় ৫০ বছরেও তা আমরা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। নারীবান্ধব কর্মক্ষেত্রের অভাব ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পিছিয়ে
দিচ্ছে নারীর উন্নয়ন যাত্রাকে। প্রচার মাধ্যমগুলােতে নারীর নেতিবাচক উপস্থাপন বন্ধ হতে হবে। নারী কোনাে পণ্য নয়। নারীদের নিজেদেরও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

নারী-পুরুষের সমান স্বার্থ রক্ষাকারী আইন প্রবর্তন ও আইনের সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। নারীশিক্ষা ও নারীর মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিতে হবে। নারীকে তার কাজের যথাযথ স্বীকৃতি দিতে হবে। নারীর কাজকে ছােট করে দেখা চলবে না। নারীর কাজের মূল্যায়ন হতে হবে। সর্বোপরি, নারীর প্রতি ইতিবাচক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করতে পারে।

ফ্রেডরিক অ্যাঙ্গেলস তার ‘অরিজিন অব দ্য ফ্যামিলি’ গ্রন্থে বলেছেন, ‘নারীমুক্তি তখনই সম্ভব যখন নারীরা সমাজের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে সমগুরুত্ব নিয়ে অংশগ্রহণ করবে।’ তাই নারীর নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা, নারীর প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নারী-পুরুষ উভয়ের অন্তর্ভুক্তিতেই উন্নয়নের দেখা পাওয়া সম্ভব। এভাবেই নারীরা এগিয়ে যাবেন, তাদের ভবিষ্যৎ হবে কণ্টকমুক্ত।

৪) পঠিত গল্প অনুসারে নারীকে এগিয়ে চলার পথে সহায়ক ভুমিকা হলােঃ

১)সর্বত্র নারীর শুধু অংশগ্রহণ বাড়ালে চলবে না, তার গুণগত উন্নয়ন জরুরি কোনাে দেশের উন্নয়নের জন্য নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন গুরুত্বপূর্ণ নারীকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে ।

২) নারীর অনানুষ্ঠানিক কাজের অর্থনৈতিক মূল্যায়ন করা দরকার ।

৩) কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গ সংবেদনশীল পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে ।

৪) মেয়ে ও ছেলেশিশুর মধ্যে কোনাে পার্থক্য নেই। সবার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থানের পূর্ণ ব্যবস্থা করতে হবে ।

৫) নারীবান্ধব আইনগুলাের যথাযথ বাস্তবায়ন জরুরি ।

৬) কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষের বৈষম্য দূর করতে হবে ।

৭) নারীর উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বে আরও ক্ষমতায়ন প্রয়ােজন ।

শেষ কথা

আমরা চেষ্টা করেছি আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে সবাইকে এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান তুলে ধরার জন্য। আপনাদের সবার কাছে যদি এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই সবার সাথে শেয়ার করবেন। যাতে সবাই এই সপ্তাহের এইচএসসি বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর জানতে পারে। সাথে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

এইচএসসি এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ – ৯ম সপ্তাহ

৭ম শ্রেণি বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

এইচএসসি পদার্থ বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

এইচএসসি অর্থনীতি এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

এইচএসসি যুক্তিবিদ্যা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

এইচএসসি হিসাব বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

Tech Tips

টিপস নেট বিডি সকল ধরনের প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে। বিভিন্ন ধরনের শিক্ষামূলক, কৃষি, প্রযুক্তি, বিনোদনমূলক, কুইজ প্রতিযোগিতা, পরীক্ষার রেজাল্ট। সকল ধরনের তথ্য দিয়ে আমরা সাহায্য করে থাকি। নতুন তথ্য পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button