AssignmentClass 9 Assignment Answer

( নতুন উত্তর ) নবম (৯ম) শ্রেণী বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ – ৩য় সপ্তাহের

নবম (৯ম) শ্রেণী বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২। আপনারা যারা নবম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ পেতে চান। তারা আমাদের আজকের এই পোস্ট থেকে নবম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর Class 9 Bangla Assignment Answer 2022 জানতে পারবেন।

সবার সুবিধার্থে নবম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট এখানে দেওয়া হয়েছে। নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা ২০২২ সবার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা উত্তর পাবেন আমাদের পোস্টে। যারা নবম শ্রেণীতে পড়েন তাদের জন্য ৯ম শ্রেণি বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান অনেক প্রয়োজনীয়।

নবম শ্রেণীর বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

বিভিন্ন জন বিভিন্ন জিনিস লাগে অনুসন্ধান করে। তাই সবার সুবিধার্থে নবম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান এখানে দেওয়া হয়েছে। আপনারা খুব সহজেই এখান থেকে বাংলা বিষয়ের এসাইনমেন্ট উত্তর জানতে পারবেন।

এটি আপনাদের বাংলা এসাইনমেন্ট অতি দ্রুত শেষ করতে সাহায্য করবে। তাই দেরি না করে নবম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর দেখে নেন। ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ বাংলা সবার জন্য।  ৯ম শ্রেণীর বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ সমাধান – নবম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট প্রশ্নের উত্তর (সকল সপ্তাহ)।

৯ম শ্রেণীর বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান

৯ম শ্রেণীর বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের উত্তর দেখুন। নবম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের সমাধান নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের সামনে। আপনারা ইতিমধ্যে জেনেছেন 2020 সালের মতো 2022 সালেও অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আপনারা ইতিমধ্যে অষ্টম শ্রেণীতে অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের সমাধান করেছেন।

সেজন্য বিষয়টি মোটেই নতুন নয় আপনাদের কাছে। আমরা প্রথম সপ্তাহের বাংলা বিষয়ের এসাইনমেন্ট এর প্রশ্নের উত্তর তুলে ধরব আজকের আর্টিকেলে। যারা অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের সমাধান খুঁজছেন তাদের জন্য লেখা টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা

নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট দেখুন। ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা ডাউনলোড করুন। নবম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট ও ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ বাংলা সমাধান দেখুন। নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট বাংলা ও নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা সমাধান পাবেন নিচে।

শিরোনাম: বইপড়ার অভ্যাস গঠনে লাইব্রেরির গুরুত্ব বিশ্লেষণ

লাইব্রেরির পরিচয়

লাইব্রেরি বা প্রকৃত অর্থে “পাঠাগার” হলো বই, পুস্তিকা ও অন্যান্য তথ্য সামগ্রির একটি সংগ্রহশালা, যেখানে পাঠকের প্রবেশাধিকার থাকে এবং পাঠক সেখানে পাঠ, গবেষণা কিংবা তথ্যানুসন্ধান করতে পারেন।

যে ধরণের বই পড়তে ভালো লাগে

শুরু থেকে পড়াশোনার পাশাপাশি লাইব্রেরি সংগ্রহে থাকা অতিরিক্ত কিছু বই আমার পড়তে খুব ভালো লাগে। এখন অনেক বই আছে আমার সংগ্রহে। রূপকথা, উপকথা, গোয়েন্দা, মুক্তিযুদ্ধ, ছড়া, কবিতা, ইতিহাস, সাধারণ জ্ঞান, সায়েন্স ফিকশন, ভ্রমণকাহিনি ইত্যাদি। ভ্রমণকাহিনির মধ্যে আছে ‘দেশে বিদেশে’, ‘পথে প্রবাসে’, ‘জাপান যাত্রীর পত্র’, ‘বিলাতে সাড়ে সাতশ দিন’, ‘মোটরযোগে রাঁচি সফর’ ইত্যাদি। রূপকথা, মুক্তিযুদ্ধ, ভ্রমণকাহিনি পড়তে আমার বেশি ভালো লাগে।

লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা

লাইব্রেরি তথ্যভাণ্ডার ও জ্ঞানচর্চার সর্বোত্তম স্থান। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে লাইব্রেরি হয়েছে সমৃদ্ধ এবং দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। বর্তমানে পাঠাগারে দুই মাধ্যমে বই থাকে-সফ্ট কপি, যা পিডিএফ আকারে পড়া যায় এবং হার্ড কপি, যা ছাপানো বই। ই-লাইব্রেরি হলো অনলাইনে বই পড়ার মাধ্যম। অনলাইন পেজগুলোতে ফ্রি অথবা টাকার বিনিময়ে বই পড়া যায়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুব সহজেই দেশি-বিদেশি লেখকের বই পড়া যায়, যা সহজলব্ধ হওয়ায় খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে লাইব্রেরিগুলোতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বই ছাড়াও জনপ্রিয় লেখকদের বই, পত্রিকা, অভিধানসহ নানা বিষয়ের বই রয়েছে। তবে সব বই সংরক্ষণ করা যেমন কষ্টসাধ্য, তেমনি ব্যয়বহুল। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর লাইব্রেরিতে শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী বই সংগৃহীত থাকে না, যার ফলে ই-লাইব্রেরির ওপর বেশি নির্ভরশীল হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। তাই প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব ই-লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। বইয়ের যথাযথ সংরক্ষণই পারে শিক্ষাব্যবস্থায় জ্ঞানচর্চা বাড়াতে। সুতরাং লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম

নিজের দেখা একটি লাইব্রেরির বিবরণ

প্রিয় শিক্ষার্থীরা এটা তোমাদের নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখবে। তোমাদের আশেপাশে যদি কোনো লাইব্রেরি থাকে তবে ঐ লাইব্রেরি দেখতে কেমন, বই গুলো কেমন ভাবে গুছানো আছে, কি কি বইয়ের সমাহার রয়েছে ইত্যাদি নিয়ে এই পয়েন্ট তোমরা নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে লিখবে। তারপর ও যদি তোমরা কমেন্ট বক্সে আমাকে বলো তবে লিখতে পারি।

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা ও নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা দেখে নিন। নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সবার সাথে শেয়ার করুন। ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ বাংলা সমাধান তুলে ধরেছি। নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট বাংলা ও নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা সমাধান আপনাদের জন্য।

১ম সপ্তাহের উত্তর শুরুঃ 

সুভা গল্প অনুসরণে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের সংবেদনশীলতা ও অনুভূতি প্রবণতা বিশ্লেষণ (উত্তর)

সুভা গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত “গল্পগুচ্ছ” থেকে সংকলিত হয়েছে। বাক প্রতিবন্ধী কিশোরী লেখকের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা ও মমত্ববোধে গল্পটি অমর হয়ে আছে। সুভা কথা বলতে পারতো না। তার মা মনে করতেন- এ তার নিয়তির দোষ। কিন্তু বাবা তাকে ভালবাসতেন। আর কেউ তার সঙ্গে মেশে না, খেলে না।

কিন্তু তার বিশাল এক আশ্রয়ের জগত আছে। যারা কথা বলতে পারে না, সেই পোষা প্রাণীদের কাছে সে মুখর। তাদের সে খুবই কাছের জন। আর বিপুল নির্বাক প্রকৃতির কাছে এসে পায় মুক্তির আনন্দ।

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের আবেগ অনুভূতি অনুধাবন এবং তাদের প্রতি পরিবার ও সমাজের ভূমিকা নির্ধারণ

তোমাদের জন্য এস.এস.সি দশম শ্রেণির বাংলা পাঠ্য বইয়ের সুভা গল্প থেকে প্রদত্ত বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের আবেগ অনুভূতি অনুধাবন এবং তাদের প্রতি পরিবারের ও সমাজের ভূমিকা নির্ধারণ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত আলোচনা করা হলো।

বাকপ্রতিবন্ধী সুভা তার পরিবার ও সমাজ থেকে যে আচরণ পেয়েছে তার বিবরণ-

আমাদের দেশে প্রতিবন্ধীরা কোনো-না-কোনোভাবে পরিবারের অবহেলার শিকার। তবে কোন পরিবারে বেশি, কোন পরিবারে কম। অবহেলার কারণে প্রতিবন্ধীতাকে অভিশাপ মেনে নিয়ে তারা অবহেলিত, বঞ্চিত জীবন যাপনে বাধ্য হয়। অনেক সময় তাদের অনাহারে-অর্ধাহারে থেকে দিন পার করতে হয়। অধিকাংশ পরিবারেই প্রতিবন্ধীদের বোঝা হিসেবে গণ্য করা হয়।

সুভা একজন বাকপ্রতিবন্ধী ছিল। বাকপ্রতিবন্ধী এই মেয়েকে নিজের মা পরিবারের বোঝা মনে করতেন। তার মা তাকে নিজের একটি ত্রুটি স্বরূপ দেখতেন। কন্যার এই অসম্পূর্ণতা লজ্জার কারণ বলে মনে করতেন। তার মা তাকে নিজের গর্ভের কলঙ্ক মনে করতেন এবং তার প্রতি বিরক্ত হতেন। পক্ষান্তরে, সুভার বাবা, বাণীকন্ঠ সুভাকে তার অন্য মেয়েদের অপেক্ষা একটু বেশি ভালোবাসতেন।

সুভা বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় তার কোন বন্ধু-বান্ধব ছিলনা। তার সাথে কেউ মিশতো না, কথা বলতে চাইতো না। সুভার গ্রামের লোকজন তাকে নিন্দা করতে শুরু করেছে।

সুভার প্রতি পরিবার ও সমাজের প্রত্যাশিত ইতিবাচক আচরণ-

প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ তাদেরকে অবহেলায় পিছনে ফেলে রেখে সমাজ এগিয়ে যাবে তা কখনোই সম্ভব নয়। সমাজের অংশ হিসেবে তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। এ দায়িত্ব গুলো সঠিকভাবে পালন করলে প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয় বরং সম্পদে পরিণত হবে।

সুভা বাক প্রতিবন্ধী হওয়ায় প্রথমত তার পরিবারকে তার পাশে দাঁড়াতে হত। তার মনোবল বৃদ্ধির জন্য তার মায়ের মানসিকতার পরিবর্তন আনা উচিত ছিল। তিনি সুভার যত্ন নিতে পারতেন, ভালোবেসে আগলে রাখতে পারতেন। এছাড়াও সুভার সমাজের অন্যান্য মানুষ সুভার প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখতে পারতেন। তারা তাদের সন্তানদের উদ্বুদ্ধ করতে পারতেন সুভাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহন করার জন্য।

আমার চেনা/জানা একজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের বেড়ে ওঠার প্রতিবন্ধকতা সমূহ-

আমাদের আশেপাশে এরকম অনেক শিশু দেখা যায় যারা স্বাভাবিক শিশুদের মত হয়না। তাদের আচার-আচরণ ও দৈহিক গঠন স্বাভাবিকের তুলনায় ধীর এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ, সমস্যাগ্রস্ত। এদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা ভালোভাবে চোখে দেখতে পায় না। কারও কারও হাঁটাচলা করতে অসুবিধা।

কিছু শিশু আছে যারা ঠিক মত কথা বলতে পারে না। আবার অনেকেই আছে যারা অন্যের কথা শুনতে পায়না। আবার কেউ কেউ আছে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যারা অনেক বড় হয়েও ছোটদের মতো আচরণ করে। আমার চেনা একজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু রয়েছে। সে একা একা তার দিনাতিপাত করে।

বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় কেউ তার সাথে মিশে না, খেলে না। এমনকি কেউ তার সাথে কথাও বলতে চায় না।

প্রথমত, এদের প্রতিবন্ধকতার প্রধান কারণ হলো পরিবার। যেকোনো মানুষের সামাজিক অবস্থান তৈরি হয় পরিবার থেকেই। কিন্তু এই পরিবারই অনেক সময় প্রতিকূলতার সৃষ্টি করে।

সমাজে বিকশিত হওয়ার দ্বিতীয় প্রতিবন্ধকতা হলো সমাজ। কারণ সামাজিক ধ্যান ধারণার উপর নির্ভর করে এইসব শিশুদের ভবিষ্যৎ৷ আর সমাজই যদি তাদের স্বাভাবিকভাবে গ্রহন না করে, তাহলে এ ধরনের মানুষের জীবনে আরো বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসবে।

সমবয়সীরা আরেকটা প্রতিবন্ধকতা ৷ দেখা যায়, সমবয়সীরা তাদের সাথে মিশতে চায় না ৷ এটিই তাদের বেড়ে উঠার ক্ষেত্রে সবচে বড় প্রতিবন্ধকতা।

বৈষম্য ও কুসংস্কার হলো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সমাজে বিকশিত হবার ক্ষেত্রে অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। সমাজের সর্বস্তরে এরূপ একটি বিশ্বাস আছে যে, প্রতিবন্ধীত্ব একটি অভিশাপ এবং এটি পাপ কাজের শাস্তি। এরূপ বিশ্বাস বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সমাজে বিকশিত হতে বাধা সৃষ্টি করে।

একজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষেরও সংবেদনশীল ও অনুভূতিপ্রবণ মন আছে।’ – মন্তব্যটি সুভা ও আমার চেনা/জানা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্লেষণ করা হলো-

সুভা বাকপ্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও সে চাইতো তার কিছু বন্ধুবান্ধব থাকুক। যাদের সাথে সে ইশারায় গল্প করবে, মনের ভাব প্রকাশ করবে। সে চায় তার মা তাকে বোঝা না ভাবুক। ভালোবেসে যেনো তাকে কাছে টেনে নেয়। কিন্তু যখন তার ভাগ্যে এসব জুটলো না, তখন সখ্যতা গড়ে উঠলো প্রকৃতির সাথে৷ প্রকৃতি যেনো তার সকল অভাব পূরণ করে দিতো, যেনো তার সাথে কথা বলতো।

নদীর কলধ্বনি, লোকের কোলাহল, মাঝির গান, পাখির ডাক, তরুর মর্মর-সমস্ত মিশে চারদিকের চলাফেরা-আন্দোলন-কম্পনের সাথে এক হয়ে সমুদ্রের তরঙ্গের ন্যায় সুভার চিরনিস্তব্ধ হৃদয় উপকূলের কাছে এসে ভেঙ্গে পড়তো। তার বন্ধুত্ব ছিল প্রাণীদের সাথে। গোয়ালের দুটি গাভী, তাদের নাম সর্বশী ও পাঙ্গুলি।

মানুষের সাথে তার ভাবের বিনিময় না হলেও, ভাষাহীন প্রাণী আর প্রকৃতির সাথে ঠিকই হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে সুভা।

তাই বলা যায়, একজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষেরও সংবেদনশীল ও অনুভূতিপ্রবণ মন আছে- মন্তব্যটি সুভা ও আমার চেনা/জানা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পরিপ্রেক্ষিতে যথার্থ।

 

১ম সপ্তাহের ৯ম শ্রেণীর বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ 

এখানে দেওয়া হয়েছে ২১ সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২। তাই নিচে থেকে দেখে নিন। ২১ সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২।

class 9 bangla assignment answer

অভাগীর স্বর্গ গল্পে মানবিক সমাজ গঠনে যে প্রতিবন্ধকতাসমূহ রয়েছে তা কীভাবে দূর করা যেতে পারে বলে তুমি মনে কর ? যৌক্তিক মত উপস্থাপন কর।

মানবিক সমাজের প্রতিবন্ধকতা

মানবিকতা বলতে বােঝায় মানুষের মূল্যবােধ। মানুষের বিচার বুদ্ধি যে বুদ্ধি আমরা অর্জন করি , বিভিন্ন ধরনের জ্ঞানের মাধ্যমে। যেমন ধর্মীয় , সামাজিক , রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইত্যাদি। মানবিকতার মূলমন্ত্র হলাে মানুষের কল্যাণ , জাতির কল্যাণ সমাজের কল্যাণ। মােটকথা মানুষের ভলাে , মানুষের জন্য ভালাে কিছু করা , মানুষের উন্নতি সাধন করাই মানবিকতা।

কিন্তু শরচ্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত অভাগীর স্বর্গ গল্পে মানবিকতা বলতে আমরা যা বুঝি তার বিন্দুমাত্র মিল খুঁজে পাই নি । তাইতাে মানবিক সমাজ গঠনে ব্যর্থ হয়েছে “ অভাগীর স্বর্গ ” গল্প । কারণ অভাগীর স্বর্গ গল্পে রয়েছে মানবিক সমাজ গঠনের নানবিধ প্রতিবন্ধকতা।যেমনঃ

শ্রেণি বৈষম্যঃ অভাগীর স্বর্গ গল্পে আমরা দেখতে পাই যে তখনকার সমাজ ব্যবস্থার মাঝে শ্রেণি বৈষম্য ছিল প্রকট।এই শ্রেণি বৈষম্য এর মাঝে ছিল ধনী – গরীব ভেদাভেদ , উঁচু জাত – নিচু জাতের ভেদাভেদ। এই গল্পে আমরা দেখতে পেরেছি সমাজের উচু জাতের লােকদের দ্বারা নিচু জাতের অর্থাৎ গরীব অসহায়দের প্রতি বৈষম্য।

ন্যায়বিচারের ভাব: অভাগীর বেল গাছ লাগানাের ঘটনা থেকে আমরা দেখতে পাই যে তখনকার সমাজ ব্যবস্থায় কতটা ন্যায়বিচারের অভাব ছিল।

শােষকের শােষণঃ অভাগীর স্বর্গ গল্পের জমিদার এর চরিত্র থেকে একথা স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে শাসক। শ্রেণির লােকদের অপরীসীম শােষণ যা একটি মানবিক সমাঝ গঠনের প্রধান অন্তরায় বলে আমি মনে করি।

সামাজিক মর্যাদাঃ একটা মানুষ যখন সমাজে তার নিজ পরিচয়ে মাথা উঁচু করে বাঁচতে না পারে অর্থাৎ সামাজিক মর্যাদা নিয়ে দাঁড়াতে না পারে তখন ই সমাজের মাঝে অমানবিক আচার আচরণ প্রকট হয়ে দেখা যে যা মানবিক সমাজ গঠনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।

বিবিধঃ সমাজে ধনী – দরিদ্রের মধ্যে যেমন প্রর্থক্য রয়েছে , তেমনি রয়েছে ধর্মে – ধর্মে , সম্প্রদায়ে – সম্প্রদায়ে এবং জাত – পাতের প্রকট পার্থক্য। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব পার্থক্য অশিক্ষা , অজ্ঞতা , কুসংস্কার ও হীন স্বার্থবুদ্ধিপ্রসূত। এতে করে সমাজ প্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়। সমাজজীবনে সৃষ্টি হয় নানা দুঃখজনক ঘটনার। এমনকি এত মানবতার বিপর্যয়ও ঘটে থাকে।

প্রতিবন্ধকতা জয় করার উপায়ঃ

১.যথােপযুক্ত শাসনব্যবস্থাঃ একটি সুন্দর মানবিক সমাজ গঠনে আইনের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যকরী শাসনব্যবস্থা চালু থাকলে শুধু সমাজ নয় বরং সারা পৃথিবীকে মানবিক করে তােলা সম্ভব।

২. সুষম বিচার ব্যবস্থাঃ যে সমাজে বিচার ব্যবস্থা সুষম অর্থ্যাৎ ন্যয়বিচার রয়েছে সে সমাজ কে আমরা মানবিক বলতে পারি। একটা সমাজে যদি অন্যায় অপরাধের সঠিক বিচার হয় , বিচার ব্যবস্থা যদি পক্ষপাতদুষ্ট না হয় তখন ই কেবল সমাজের বসবাস রত মানুষ যারা রয়েছে তারা নিজেদের কে নিরাপদ ও সুরক্ষিত ভাবতে পারবে আর তাতেই মানবিক সমাজ গঠনের পথটা সুগম হয়ে যাবে।

৩. শাসন ব্যবস্থার স্বচ্ছতাঃ সমাজে যারা শাসক গােষ্ঠী রয়েছে অর্থাৎ যারা সমাজে নীতি নির্ধারক তারা যদি সমাজের মানুষের উপকারে তাদের শাসন করে তবে সে সমাজ মানবিক হতে বাধ্য। শাসনের নামে যেন শােষণ না হয়। শােষিত মানুষের মাঝে সবসময় ক্ষোভ বিরাজ করে।

৪. আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সমাজে যাতে সবাই নিজের মত করে বাঁচতে পারে , নিজস্ব ধর্মীয় আচার আচরণ পালন করতে পারে , নিজের মতামত স্পষ্ট করে প্রকাশ করতে পারে সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

৫. সামাজিক মূল্যবােধ চর্চা করতে হবে। সমাজের প্রতিটি মানুষের মাঝে সামাজিক মূল্যবােধ কে জাগিয়ে তুলতে হবে।

৬. শ্রেণি বৈষম্য দূরীকরণ করতে হবে। আমরা যদি দেখি হিন্দুস্থানি দারােয়ান অশ্রাব্য গালি দিলেও গায়ে হাত দিনা অশৌচের ভয়ে। এতেই প্রতীয়মান হয় যে তৎকালীন হিন্দুসমাজে জাত – পাত ও বর্ণপ্রথা প্রচলিত ছিল। এই ধরণের বৈষম্য অবশ্যই দূর করতে হবে যদি আমরা একটি মানবিক সমাজ গঠন করতে চাই।

১ তম সপ্তাহের ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ৯ম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান দেখুন

নবম শ্রেণী চারু ও কারুকলা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

নবম শ্রেণী অর্থনীতি অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

নবম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

নবম শ্রেণি কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

নবম শ্রেণির উচ্চতর গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৯ম শ্রেণি গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৬ষ্ঠ শ্রেণীর গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৬ষ্ঠ শ্রেণীর কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৬ষ্ঠ শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৭ম শ্রেণীর গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

সপ্তম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৭ম শ্রেণি গার্হস্থ্য বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৮ম শ্রেণীর গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ‌২০২২

৮ম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৮ম শ্রেণী গার্হস্থ্য বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

নবম শ্রেণির বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট সমাধান ‌২০২২ – Class 9 Science Assignment Answer

নবম (৯ম) শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ – Class 9 BGS Assignment Answer

নবম (৯ম) শ্রেণীর সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

class 9 bangla

সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট 2022

অনেকে আছেন যারা সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান জানতে পারেননি। তাদের জন্য পোষ্টের এই অংশের সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান দেওয়া হয়েছে। ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট বাংলা দেখুন। সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছে।

সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা, ৭ম শ্রেণির ইসলাম ধর্ম এসাইনমেন্ট উত্তর পাবেন। সপ্তম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ বাংলা সবার জন্য। ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট বাংলা ২০২২ দেখুন। ৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট ইসলাম ও নৈতিক। সপ্তম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট শেয়ার করুন।

৭ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট হিন্দু ধর্ম Class 7 Hindu Dhormo Assignment Answer 2022

৭ম শ্রেণির ইসলাম ধর্ম এসাইনমেন্ট উত্তর Class 7 Islam Assignment Answer 2022

৭ম শ্রেণি এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা ২০২২  Class 7 Bangla Assignment Answer 2022 

৭ম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ বাংলা সমাধান Class 7 Assignment Answer 2022 Bangla

৭ম শ্রেণির বৌদ্ধ ধর্ম এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ Class 7 Buddhism Assignment Answer 2022 

৭ম শ্রেণি খ্রিষ্ট ধর্ম এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২  Class 7 Christanity Assignment Answer 2022 

ষষ্ঠ শ্রেণীর (৬ষ্ঠ) অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

আপনারা যারা ষষ্ঠ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান পাওয়ার জন্য ঘুরছেন। তাদের জন্য এই পোস্ট এর এই অংশে ষষ্ঠ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান দেওয়া হয়েছে। তাই এখান থেকে আপনারা খুব সহজেই ষষ্ঠ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ডাউনলোড করতে পারবেন। ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর দেখুন। ৬ষ্ঠ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ও ৬ষ্ঠ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট হিন্দু ধর্ম দেখুন।

Class 6 Assignment Answer 2022 Islam  ষষ্ঠ শ্রেণি ইসলাম এসাইনমেন্ট সমাধান ‌২০২২

৬ষ্ঠ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট হিন্দু ধর্ম Class 6 Hindu Dhormo Assignment Answer 2022 

ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা  Class 6 Bangla Assignment Answer 2022 

৬ষ্ঠ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ বাংলা সমাধান

ষষ্ঠ শ্রেণির বৌদ্ধ ধর্ম এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ Class 6 Buddhism Assignment Answer 2022 

ষষ্ঠ শ্রেণি খ্রিষ্ট ধর্ম এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২  Class 6 Christanity Assignment Answer 2022 

এ্যাসাইনমেন্টে বা নির্ধারিত কাজের ক্রমঃ

এসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ-১

অধ্যায় ও অধ্যায়ের শিরোনামঃ

গদ্য (প্রবন্ধ)

পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত পাঠ নম্বর ও বিষয়বস্তুঃ

বই পড়া (প্রমথ চৌধুরী)

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারনী কাজঃ

৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ৯ম অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান পেতে নিচের লিংকে ক্লিক  করুন  

দেখে নিন নবম শ্রেণীর দ্বিতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টনবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ইংরেজি প্রশ্নের উত্তর। যারা নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা উত্তর ও ৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ জীববিজ্ঞান সমাধান পেতে চান। তারা নিচে থেকে নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ইংরেজি সমাধান পেয়ে যাবেন।

নবম (৯ম) শ্রেণীর পৌরনীতি ও নাগরিকতা অ্যাসাইনমেন্ট ২০২২ 

নবম (৯ম) শ্রেণির ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

নবম (৯ম) শ্রেণী জীববিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৯ম শ্রেণি ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

অষ্টম (৮ম) শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

অষ্টম (৮ম) শ্রেণি ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

সপ্তম (৭ম) শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

সপ্তম (৭ম) শ্রেণির ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

ষষ্ঠ (৬ষ্ঠ) শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৬ষ্ঠ শ্রেণি ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

অনুচ্ছেদ রচনা:- ’স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব’

অ্যাসাইনমেন্ট সংক্রান্ত নির্দেশনাঃ

’বই পড়া’ প্রবন্ধটির আলোকে শিক্ষার্থীরা অনুচ্ছেদটি রচনা করবে। প্রয়োজনে ‘বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মির্তি’ বই থেকে অনুচ্ছেদ লেখার নিয়ম অনুসরণ করবে।

৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

অষ্টম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট এর উত্তর, ৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ইসলাম উত্তর। ৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা সমাধান দেখুন আজকের পোস্ট থেকে। অষ্টম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট সবার সাথে শেয়ার করুন। ৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ইসলাম ধর্ম পাবেন এখানে।

৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট ইসলাম ধর্ম উত্তর

৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা উত্তর

Class 8 Assignment 2022 Hindu Dhormo

৮ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট হিন্দু ধর্ম উত্তর

নবম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

প্রথম সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর দেওয়া হয়েছে আমাদের। আপনারা যারা নবম শ্রেণীতে পড়াশোনা করেন তাদের জন্য বাংলা বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান করে দেওয়া হয়েছে। আপনারা নিচে থেকে এসাইনমেন্ট উত্তর দেখে দেখে লিখে অ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করুন।

তবে অবশ্যই অ্যাসাইনমেন্ট শুরু করার আগে আপনার পাঠ্যবই ভালোভাবে পড়ে নিন। আর এখান থেকে নবম শ্রেণির বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট সলিউশন ডাউনলোড করে নিন। নবম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা দেখে নিন। ৯ম শ্রেণীর বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের উত্তর ডাউনলোড করুন।

ষষ্ঠ (৬ষ্ঠ) শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর (১০০% সঠিক)

সপ্তম (৭ম) শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর (১০০% সঠিক)

অষ্টম (৮ম) শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর (১০০% সঠিক)

নবম (৯ম) শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর (১০০% সঠিক)

৯ম শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট বাংলা ২০২২ সমাধান

‘স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব

‘স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব’

বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক টলস্টয় এর একটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে ”জীবনে মাত্র তিনটি জিনিসের প্রয়োজন বই বই এবং বই”। আসলে টলস্টয় ই উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন সেই অতি প্রয়োজনীয় জিনিসটির। বই আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বলা হয়ে থাকে যে “আপনি যখন একটি বই খুলবেন, আপনি একটি নতুন বিশ্ব খুলবেন”। আমি বিশ্বাস করি যে বই মানবজাতির জন্য অনিবার্য হয়ে উঠায় সবাই এই বিবৃতিতে একমত হবেন। বেশিরভাগ মানুষের কাছে বইগুলি তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। একটি বই একজন সেরা বন্ধুর মতো যা আপনার কাছ থেকে কখনও দূরে সরে যাবে না।

বিখ্যাত লেখক, কবিরা তাদের সমস্ত আবেগ, চিন্তাভাবনা এবং অভিজ্ঞতা পুস্তকআবদ্ধ করেছেন যা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং উপকারী হয়ে রবে। বইগুলির ধন অক্ষয়, কারণ তারা ক্রমাগত আমাদের জন্য শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান এবং দর্শনের সোনার সন্ধান করে। বই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে জ্ঞান দেয় যা শেষ পর্যন্ত সভ্যতার অগ্রযাত্রায় সহায়তা করে।

বই জ্ঞান দিয়ে ভরপুর, একটি সুখী জীবনের অন্তর্দৃষ্টি, জীবনের পাঠ, প্রেম, ভয়, প্রার্থনা এবং সহায়ক পরামর্শ। আমরা কি কখনও ভেবে দেখেছি বুদ্ধিজীবীরা যদি তাদের জ্ঞানগুলো নথিভুক্ত না করতেন তবে কী হত? সেগুলি ছাড়া আজকে আমরা কিই বা জানতাম।

বই পড়ার মাধ্যমে আমরা নিজেকে নতুন জিনিস, নতুন তথ্য, নতুন ধারণা, কোনও সমস্যা সমাধানের নতুন উপায়, নিজেকে উন্নত করা, কল্পনাশক্তিকে উন্নত করতে এবং লক্ষ্য অর্জনের নতুন উপায় খুজে পেতে পারি।। বই আপনাকে শখগুলি আবিষ্কার করতে বা আপনি পছন্দ করেন না এমন জিনিসগুলি অন্বেষণে সহায়তা করতে পারে।

স্ব-উন্নতি বই পড়া থেকে শুরু হয়, বই পড়ার মাধ্যমে আপনার ভবিষ্যতে আরও ভাল বোঝার এবং আরও ভাল সিদ্ধান্ত নেওয়া সুযোগ তৈরি হয়। তই বলা যায় যে “আপনি যত বেশি পড়বেন, তত বেশি পড়াবেন”। বই বিহীন একটি বাড়িকে জানালা বিহীন একটি বাড়ির সাথে তুলনা করা যায়।

কিন্তু সেই বইকে আলমারিতে আবদ্ধ করে রাখালে হবেনা। বইকে পড়তে হবে এবং এর মধ্যকার রস আস্বাদন করতে হবে। তবেই একজন ব্যক্তি শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারবে। তাইতো প্রমথ চৌধুরী তার বই পড়া পবন্ধে বলেছেন ”সু-শিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত”। আমাদের জ্ঞানচচাঁয় অনভ্যাস যে শিক্ষাব্যবস্থার তুটির জন্য ঘটছে তা সহজেই লক্ষনীয়। আর্থিক অনটনের কারণে অর্থকরী নয় এমন সবকিছুই এদেশে অনর্থক বলে বিবেচনা করা হয়। সেজন্য বই পড়ার প্রতি লোকের অনীহা দেখা যায়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে লব্ধ শিক্ষা পূর্ণাঙ্গ নয় বলে ব্যাপকভাবে বই পড়া প্রয়োজন । যথাথ শিক্ষিত হতে হলে আমাদের মনের প্রসার দরকার । তার জন্য বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে । এর জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন।

বই-ই হচ্ছে মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ ৷ যার সাথে পার্থিব কোনো সম্পদের তুলনা হতে পারে না। একদিন হয়তো পাথিব সব সম্পদ বিনষ্ট হয়ে যাবে কিন্তু একটি ভালো বই থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান কখনো নিঃশেষ হবে না, তা চিরকাল হৃদয় জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালানোর মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের মনকে সুস্থ ও আনন্দিত রাখতে পারি। একটি ভালো বই মানুষের মনের চোখ যেমন খুলে দেয় তেমনি জ্ঞান ও বুদ্ধিকে প্রসারিত এবং বিকশিত করে মনের ভিতর আলো জ্বালাতে সাহায্য করে।

লাইব্রেরীতে নিজের পছন্দ অনুযায়ী,বই পড়ে যথার্থ শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারা যায়। প্রগতিশীল জগতের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য সাহিত্য চর্চা করা অত্যাবশ্যক ৷ কেননা, সাহিত্যচর্চা হচ্ছে শিক্ষার সর্বপ্রধান অঙ্গ । আর সাহিত্য চচাঁ করার জন্যই আমাদেরকে বই পড়তে হবে। একই সাথে লাইব্রেরীর প্রতিষ্ঠা আবশ্যক । বইয়ের ভেতরে থাকে জ্ঞান অজানা তথ্যের ভান্ডার । যখন আমরা বই পড়বো তখন বইটির ভিতরে থাকা নানা জ্ঞান আমাদের শিক্ষিত করে তুলবে। নন-ফিকশন, বই ই পারে একজন মানুষাকে যথার্থ জ্ঞানবান বানাতে । আর জ্ঞান সবসময় একজন মানুষকে সমৃদ্ধ করে। বই নতুনভাবে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে ও মস্তিষ্ককে চিন্তা করতে উপযোগী করে গড়ে তোলে ।

স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব বইয়ের ভেতরে যে জগতের বর্ণনা থাকে আমরা বই পড়ার মধ্যে দিয়ে সেই জগতটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারি । কখনো বই আমাদের একটি ছোট্র ভেকেশনে নিয়ে যায়। কারন পড়ার মাধ্যমে আমরা পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে যেতে পারি। বই এর ভিতরে থাকা নতুন জগতের নতুন চিত্র, নতুন বণনা নতুনভাবে উপলব্ধি করতে পারি। ফলে আমাদের মনন জগতের কল্পনা শক্তি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। শব্দ নিয়েও তাঁর গবেষনা কম থাকে না। আর আমরা বইপড়ার মাধ্যমে সেই শব্দগুলি সহজেই শিখে নিতে পারি । ফলে কথা বলার সময় সেই শব্দগুলি ব্যবহার করে আমরা আমাদের বাচনভঙ্গিকে স্পষ্ট, সুন্দর এবং তাৎপর্যমন্ডিত করতে পারি | আর যে ব্যক্তি অনেক বই পড়ে থাকেন তিনি অনেক সুন্দর করে কথা বলতে পারেন | এতে ব্যক্তিজীবন উন্নত হয় এবং আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়। নতুন ভাষা শিখতেও বই পড়া আবশ্যক | সূতরাং, স্বশিক্ষা অর্জনে বই.পড়ার গুরুত্ব নিয়ে রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বলতে গেলে বলতে হয় “ধন বল, আয়ু বল, অন্যমনস্ক ব্যাক্তির ছাতা বল আর জ্ঞানি ব্যাক্তির বই বল।

Subscribe to Our YouTube Channel: Tech Tips

সর্বশেষ কথা

আশা করি আমাদের পোস্টের মাধ্যমে নবম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান খুঁজে পেয়েছেন। নবম শ্রেণীর সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান পেতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। এবং আজকের নবম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর পোস্ট সবার সাথে শেয়ার করুন।

সকল অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান জানতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

সকল এসাইনমেন্ট সল্যুশন

আরও দেখুনঃ 

৭ম শ্রেণি বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

নবম (৯ম) শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

ষষ্ঠ শ্রেণীর (৬ষ্ঠ) অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

সপ্তম (৭ম) শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

ষষ্ঠ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর বাংলা ২০২২

অষ্টম (৮ম) শ্রেণীর খ্রিষ্টধর্ম অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ 

Tech Tips

টিপস নেট বিডি সকল ধরনের প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে। বিভিন্ন ধরনের শিক্ষামূলক, কৃষি, প্রযুক্তি, বিনোদনমূলক, কুইজ প্রতিযোগিতা, পরীক্ষার রেজাল্ট। সকল ধরনের তথ্য দিয়ে আমরা সাহায্য করে থাকি। নতুন তথ্য পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button