AssignmentClass 9 Assignment Answer

৯ম শ্রেণী ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ – ৩য় সপ্তাহের

আজকের পোস্টে আমরা কথা বলবো নবম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান নিয়ে। যারা নবম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের সমাধান পেতে চান। তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট টা তুলে ধরা হয়েছে নবম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

এখানে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিতে বলা হয়েছে। তাই আপনারা খুব সহজেই পরিপূর্ণভাবে নবম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর তৈরি করতে পারবেন।

৯ম শ্রেণী ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

দীর্ঘ সময় অ্যাসাইনমেন্ট প্রক্রিয়া বন্ধ থাকার পর আবারও নবম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এখান থেকে আপনারা খুব সহজেই নবম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের উত্তর দেখতে পারবেন।

প্রত্যেক বিষয়ের জন্য আলাদাভাবে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মাধ্যমে অ্যাসাইনমেন্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে থাকে। তাই দেখে নিন নবম শ্রেণী ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের উত্তর

নবম শ্রেণী ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের উত্তর ২০২২

যারা এখনো নবম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর খুঁজে পাননি। তারা আজকের এই পোস্ট থেকে খুব সহজেই নবম শ্রেণী ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর খুঁজে পাবেন।

তাই নিচের অংশ থেকে দেখে নিন সম্প্রতি প্রকাশিত নবম শ্রেণী ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর। এবং অবশ্যই সবার সাথে নবম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ এসাইনমেন্ট উত্তর শেয়ার করবেন।

শিরোনাম: মহাবিশ্বে আমাদের পৃথিবী একটি বিস্ময়

ক. মহাবিশ্বের জ্যোতিষ্কমন্ডলীর বর্ণনা লিখতে হবে।

মহাশূন্যে অবস্থিত কবস্তুসমূহকেই জ্যোতিষ্ক কবা স্বর্গীয় বস্তু কবলা হয়ে থাকে। পৃথিবী কছাড়া অন্য সব বস্তুই এর অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে কপৃথিবী মহাবিশ্বের যাবতীয় কবস্তুকে সহ জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক কবস্তু বলা হয়।

আধুনিক বিজ্ঞান ক(জ্যোতির্বিজ্ঞান) স্বর্গীয় কবস্তুসমূহের বৈশিষ্ট্য ও কঅস্তিত্ব সম্বন্ধে বিস্তর কতথ্য সংগ্রহ করতে কসমর্থ হয়েছে।

এই বস্তুগুলাের কআবিষ্কার প্রতিনিয়তই চলছে এবং কভবিষ্যতেও চলবে। এমনকি কঅনেক বস্তু রয়েছে যাদের কআদৌ কোন অস্তিত্ব কনেই বলে পরবর্তীকালে কপ্রমাণিত হয়েছে। প্রক্রিয়া কভবিষ্যতেও চলতে থাকবে। কআর এভাবেই মানুষ কতার সমগ্র মহাবিশ্বকে কতার বিচরণস্থল হিসেবে কপ্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হবে।

খ. সৌরজগতের চিসহ বর্ণনা লিখতে হবে

উত্তর:

class 9 assignment

মার্কিউরিঃ সৌরজগতের কপ্রথম অর্থাৎ সূর্যের কসবচেয়ে কাছের গ্রহ কহচ্ছে বুধ বা মার্কিউরি। এর কআকার পৃথিবীর উপগ্রহ কচাঁদের চেয়ে সামান্য কবড়। দিনের বেলা এর কপৃষ্ঠের তাপমাত্রা থাকে কপ্রায় ৪৫০ ডিগ্রি কসেলসিয়াস। আর করাতের বেলা থাকে কদারুণ ঠাণ্ডা! সূর্যের কএত কাছে থাকার ককারণে এর কোন কবায়ুমণ্ডল নেই, তাই কউল্কাপিণ্ড ধ্বংস করার ক্ষমতা কনেই এর। এ ককারণে এর পৃষ্ঠ উল্কার কআঘাতে ক্ষতবিক্ষত। খালি চোখে কদেখা যায় বলে এটি কপ্রাচীন জ্যোতির্বিদগণ ই আবিষ্কার ককরেছিলেন এবং এর নামকরণ করেছিলেনক। এর নাম রাখা হয় রোমান কদেবতা মার্কিউরির নাম অনুসারে, যিনি কছিলেন বাণিজ্য, বাগ্মিতা, যোগাযোগ কইত্যাদির দেবতা। গ্রীকরা তাঁকে হার্মিস কনামে চিনতো। বাংলা বুধ নাম কএসেছে হিন্দু দেবতা বুধের নামে। কযাকে চাঁদের পুত্র বলা হয়। কএই গ্রহের ব্যাস ৪,৮৭৮ কিলোমিটারক। সূর্যকে পৃথিবীর হিসেবে ৮৮ কদিনে এটি একবার ঘুরে আসে, কঅর্থাৎ এর এক বছর পৃথিবীর ক৮৮ দিনের সমান। কিন্তু কএর এক দিন হতে পৃথিবীর হিসেবে কসময় লাগে ৫৮ দিন ক১৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট! কদিন ও রাতে এতো দীর্ঘ কহবার কারণেই এর দিন কও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কএতো বেশি! এর অভিকর্ষজ টান কপৃথিবীর থেকে আড়াই কগুণ কম। অর্থাৎ পৃথিবীতে ককোন বস্তুর ওজনের চেয়ে কএখানে ওজন আড়াই কগুণ কম হবে।

ভিনাসঃ বুধের পরেই খশুক্র বা ভিনাসের খঅবস্থান। বুধের তুলনায় খদূরে হলেও এর পৃষ্ঠের তাপমাত্রা খবুধের চেয়েও বেশি। শুক্র খএই সৌরজগতের সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহখ। এর আকার ও খপ্রকৃতি পৃথিবীর মতোই কিছুটা খকিন্তু এর বায়ুমণ্ডল বিষাক্ত গ্যাসে ভর্তি। খগ্রিন হাউস এফেক্ট এর কারণে খসূর্যের তাপ আটকে থেকে এতো উত্তপ্ত খহয় গ্রহটি। পৃথিবীর অবস্থাও এমন খহতে পারে যদি বাতাসে কার্বন খডাই অক্সাইড অনেক বেড়ে খযায়! এর অভিকর্ষজ আকর্ষণ খপ্রায় পৃথিবীর সমান। খমজার ব্যাপার হচ্ছে শুক্র গ্রহ খএই সৌরজগতের একমাত্র গ্রহ যা খনিজ অক্ষে ঘড়ির কাঁটার খদিকে ঘুরছে। প্রাচীন গ্রীকরা খএকে দুইটি বস্তু হিসেবে খধারণা করতো, যার একটা খরাতে আর একটা দিনে খদেখা যেত। এর ঔজ্জ্বল্যের জন্যে খএর নাম রাখা খহয় রোমান প্রেম ও খসৌন্দর্যের দেবী ভিনাস এর খনামে, যাকে গ্রীকরা বলে খঅ্যাফ্রোডাইটি। বাংলা শুক্র নামের খউৎস হিন্দু পুরাণ থেকে। খএর অর্থ নির্মল বা খউজ্জ্বল। সপ্তর্ষির একজন খভৃগু মুনির পুত্র শুক্রখ। যাকে দৈত্য বা অসুরদের খগুরু হিসেবে বলা হয়েছে। খতাঁকে অসুরাচার্য্য নামেও ডাকা খহয়। শুক্র খালি চোখে খদেখা যাওয়ায় এর আবিষ্কার খপ্রাচীন কালেই হয়েছে। এর খব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার। খদারুণ একটা ব্যাপার খহচ্ছে শুক্রের এক খবছর হতে সময় লাগে খ২২৫ দিন, কিন্তু খএক দিন হতে খসময় লাগে ২৪৩ খদিন!

আর্থঃ আর্থ গবা পৃথিবী হচ্ছে সৌরজগতের গতৃতীয় গ্রহ ও গআমাদের আবাসস্থল। সৌরজগতে গএকমাত্র এই গ্রহেই এখন গপর্যন্ত প্রাণের সন্ধান পাওয়া গগিয়েছে! পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল স্পষ্ট গও প্রধান উপাদান হিসেবে গআছে ৭৮% নাইট্রোজেন ও গ২১% অক্সিজেন। গএর উপাদানের কারণে আমরা গদিনের বেলা আকাশ নীল দেখি। গএ বায়ুমণ্ডল আমাদেরকে সূর্যের গমারাত্মক মহাজাগতিক রশ্মি ও গতেজস্ক্রিয় কণা থেকে রক্ষা করে। গপৃথিবীর প্রায় ৭৫% গঅঞ্চল পানির নিচে। এর গব্যাস ১২, ৭৬০ কিলোমিটারগ। সূর্যকে একবার ঘুরে গআসতে বা এক বছর হতে গপৃথিবীর সময় লাগে প্রায় ৩৬৫ দিনগ। আর এক দিন প্রায় গ২৪ ঘণ্টার সমান। আর্থ গনামের উৎপত্তি প্রাচীন ভাষা গথেকে। যার অর্থ মাটি বা গভূমি। পৃথিবীর উপগ্রহ গমাত্র একটি, যার গনাম চাঁদ।

মার্সঃ মঙ্গল বা গমার্স সৌরজগতের চতুর্থ গ্রহগ। গ্রহটি ঠাণ্ডা ও গধূলিময়। আয়রন অক্সাইড এর গকারণে এর ধুলা লালচে গরঙ এর। তাই গপুরো গ্রহ দেখতেও সেরকমগ। পৃথিবীর সাথে এর অনেক গমিল রয়েছে। গ্রহটি পাথুরে গএবং প্রায়ই বিশাল বিশাল গধূলিঝড় ও টর্নেডো হয় গএখানে। মঙ্গলে তুষার পড়ে গএবং বরফ আকারে পানি গসঞ্চিত আছে এতে। বিজ্ঞানীদের ধারণা গএকসময় এটি উষ্ণ ও গতরল পানিতে পূর্ণ ছিলগ। প্রাণ ধারণের মতো গউপযোগী পরিবেশ এ গ্রহে গআছে বলে বিশ্বাস করা গহয়। খালি চোখে দেখা গযাবার ফলে এটিও প্রাচীনকালে গআবিষ্কার হয়। এর গনাম রাখা হয় রোমান গযুদ্ধ দেবতা মার্স এর গনামে, যাকে গ্রীকরা এরিস গনামে চেনে। যুদ্ধের সাথে গরক্তের সম্পর্ক আছে, আর গরক্তের রঙ লাল। গতাই এই নামকরণ! বাংলায় গমঙ্গল নাম আসে গযুদ্ধদেব মঙ্গলের গনামানুসারে। যিনি গভূমি বা পৃথিবীর পুত্র গছিলেন। মঙ্গলের এক গদিন হতে লাগে ২৪ গঘণ্টা ৩৭ মিনিট গআর এক বছর হতে লাগে ৬৮৭ দিনগ। মঙ্গলের অভিকর্ষজ টান গপৃথিবীর তুলনায় গঅর্ধেকেরও কম। গমঙ্গলের উপগ্রহ দুইটি, ফোবোস গও ডেইমোস। গএরা দুইজন মার্স গএর ছেলে ছিলগ, তাই তাঁদের নামেই রাখা গহয়েছে উপগ্রহের নামগ।

জুপিটারঃ বৃহস্পতি বাঘ জুপিটার সৌরজগতের পঞ্চম ঘও সর্ববৃহৎ গ্রহ। ঘতাই একে গ্রহদের ঘরাজা বলা হয় অনেক সময়। ঘরোমান দেবতা জুপিটার, ঘযাকে গ্রীকরা জিউস নামে ঘচেনে তিনি সব দেবতার ঘরাজা ছিলেন। তাইঘ, তাঁর নামানুসারে এর নাম ঘরাখা হয় জুপিটার। ঘবাংলা বৃহস্পতি নাম এসেছে ঘহিন্দু পুরাণ থেকে, যিনি ঘছিলেন একজন ঋষি। গ্রহটি প্রায় ঘপুরোপুরি গ্যাসীয়, যার অধিকাংশই ঘহাইড্রোজেন ও হিলিয়ামে গঠিতঘ। এর শরীরে লালচে ঘবাদামী রঙের দাগ ঘদেখা যায় অন্যান্য গ্যাসের ঘউপস্থিতির কারণে। এর ঘশরীরে বিশাল একটি ঝড় ঘশতশত বছর ধরে চলছে, ঘযার কারণে গোল চাকতির মতো ঘঘূর্ণায়মান দাগ দেয়া যায়। ঘএখন পর্যন্ত এর ঘউপগ্রহের সংখ্যা জানা গিয়েছে ঘ৬৯টি! দেখে মনে ঘহয় একটা বাচ্চা ঘসৌরজগৎ তৈরি হয়েছে একে ঘঘিরেই! এই ঘউপগ্রহের নাম রাখা ঘহয়েছে জুপিটারের নানা সন্তান ঘও স্ত্রীর নামে। ঘএ গ্রহের চৌম্বকক্ষেত্র ঘঅনেক শক্তিশালী। প্রাচীন ঘজ্যোতির্বিদগণ এর আবিষ্কার ঘকরে এটি খালি ঘচোখে দৃশ্যমান হওয়ায়। ঘএর ব্যাস ১,৩৯,৮২২ কিলোমিটারঘ। এতো বড় হওয়ার ঘপরেও এর এক দিন ঘহয় মাত্র ৯.৮ ঘণ্টায়, ঘকারণ এটি গ্যাসীয়। এক ঘবছর হতে সময় ঘলাগে পৃথিবীর হিসেবে প্রায় ঘ১১ বছর ৯ মাসঘ। এর অভিকর্ষ টান পৃথিবীর ঘতুলনায় প্রায় আড়াই ঘগুণ বেশি।

স্যাটার্নঃ শনি বা স্যাটার্ন সৌরজগতেরচ ষষ্ঠ ও দ্বিতীয় বৃহত্তম চগ্রহ। এটি আমাদের চসৌরজগতের অন্যতম বিখ্যাত গ্রহ চএর বলয়ের কারণে! ১৬০০ চশতকের শুরুতে যখন গ্যালিলিও চগ্যালিলেই একে পর্যবেক্ষণ শুরু চকরেন তখন তিনি ভেবেছিলেন চএর অংশ তিনটি! চএর ৪০ বছর চপর ক্রিস্টিয়ান হাইগেন্স বলেন চএই গ্রহে বলয় আছে। চবলয়ের উপাদান হচ্ছে পাথর চও বরফের মিশ্রণ। চকিভাবে এই বলয় চসৃষ্টি হয়েছে সে চব্যাপারে বিজ্ঞানিরা পুরোপুরি নিশ্চিত না। চএর অসংখ্য উপগ্রহ চ(অন্তত ৬২টি) চরয়েছে, যাদের নাম চরাখা হয় নানা টাইটানদের চনামে। স্যাটার্ন হচ্ছে জুপিটারের চবাবা যাকে গ্রীকরা চবলে ক্রোনাস। তিনি চছিলেন একজন টাইটানচ, যাকে জুপিটার ও চতাঁর ভাইয়েরা মিলে চবন্দী করে রাখেন। বাংলায় শনি হলেন চহিন্দু ধর্মের একজন দেবতা চযিনি সূর্যদেব ও তাঁর পত্নী চছায়াদেবীর পুত্র, চএজন্য তাঁকে ছায়াপুত্র-চও বলা হয়। তিনি চমৃত্যুর দেবতা যমরাজের চবড় ভাই। চশনিও প্রাচীনকাল থেকেই পরিচিত চসবার কাছে। এর ব্যাস চ১,২০,৫০০ কিলোমিটার। চসাড়ে ১০ ঘণ্টায় চএক দিন হয় চএখানে আর এক চবছর হতে সময় চলাগে ২৯ বছর চ৫ মাস। চপৃথিবীর থেকে এর চঅভিকর্ষ টান সামান্য চবেশি।

ইউরেনাসঃ ইউরেনাসছ সৌরজগতের সপ্তম ছগ্রহ। গ্রহটি একটু ছআজব ধরণের, কারণ ছএটি কাত হয়ে নিজের ছঅক্ষের চারপাশে ঘোরে। বিজ্ঞানীদের ধারণা ছঅনেক আগে এটি হয়তো ছবড় কোন গ্রহ আকারের ছবস্তুর সাথে ধাক্কা খেয়েছিলছ, তাই এ অবস্থা! ছএর ফলে এর একেক ছঋতু ২০ বছর স্থায়ী ছহয় আর প্রতি মেরু ৮৪ ছবছর পরপর সূর্যের মুখ দেখে! আবহাওয়ামণ্ডলে ছমিথেনের উপস্থিতি থাকায় এর শরীরে নীলাভ ছসবুজ দাগ দেখা যায়। এর হালকা ছএকটি বলয় আছে ও এখন অবদি ছ২৭টি উপগ্রহের খোঁজ পাওয়া ছগিয়েছে! উপগ্রহের নাম রাখা ছহয় শেইক্সপিয়ারের তৈরি নানা ছচরিত্রের নামে। গ্রীক নামানুসারে ইউরেনাস ছএকজন প্রাগৈতিহাসিক দেবতা ছিলেন, ছযাকে আকাশ হিসেবে মানা ছছহতো। ১৭৮১ সালে উইলিয়াম হার্শেল একে গ্রহ ছহিসেবে শনাক্ত করেন। আগে ছএকে তারা ভাবা হতো। ছএর ব্যাস ৫১,১২০ কিলোমিটারছ। এক দিন হতে সময় ছনেয় ১৮ ঘণ্টা ছপ্রায় আর এক বছর হতে ছলাগে ৮৪ বছর। এর অভিকর্ষ বল পৃথিবীর ছতুলনায় সামান্য ছকম।

নেপচুনঃ আপাতত জসৌরজগতের সর্বশেষ বা অষ্টম জপ্রধান গ্রহ হচ্ছে নেপচুনজ। অতি শক্তিশালী ঝড়ের জন্য জএটি পরিচিত। এর জবাতাসের গতি মাঝেমাঝে শব্দের জগতির চেয়েও বেশি হয়! জনেপচুন অনেক ঠাণ্ডা ও জএর কেন্দ্র কঠিন। নেপচুন ই প্রথম গ্রহ জযার উপস্থিতি গাণিতিক ভাবে ধারণা জকরা হয় এর আবিষ্কারের জআগেই। ফ্রেঞ্চ জ্যোতির্বিদ জএলেক্সিস বুভার্ড ইউরেনাসের আজব জঘূর্ণন দেখে ধারণা করেন জঅন্য কিছুর অভিকর্ষ বলের কারণে জহয়তো এমন হচ্ছে। এরপর জার্মান জজ্যোতির্বিদ জোহান গল হিসেব করে জটেলিস্কোপ এর সাহায্যে এর অবস্থান বের জকরেন। নেপচুনের ভর পৃথিবীর জ১৭ গুণ প্রায়। নেপচুনের অভিকর্ষ জবল পৃথিবীর থেকে একটু বেশি। জনেপচুন নামটি রোমান জলদেবতার নামানুসারে রাখা জহয়েছে। গ্রীকরা যাকে পোসাইডন জনামে চেনে। এর জব্যাস ৪৯,৫৩০ কিলোমিটার। এক জদিন হতে এর সময় জলাগে ১৯ ঘণ্টা আর এক জবছর হতে লাগে ১৬৫ বছরজ! এখন পর্যন্ত এর জ১৪টি উপগ্রহের খোঁজ জপাওয়া গিয়েছে, যাদের নাম জরাখা হয়েছে নেপচুনের সাথে জসম্পর্কিত পৌরাণিক চরিত্রের সাথে জমিলিয়ে।

আগে নবম গ্রহ হিসেবে প্লুটো ছিল, কিন্তু আকারে পৃথিবীর চাঁদের থেকেও ছোট হওয়ায় একে ওই তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। প্লুটো হচ্ছে গ্রীক নরকের দেবতা হেডিস এর রোমান নাম। বর্তমানে একে বামন গ্রহের তালিকায় রাখা হয়েছে। এছাড়াও নেপচুনের মতো গাণিতিকভাবে পর্যবেক্ষণ করে আরেকটি গ্রহ অর্থাৎ নবম গ্রহের অস্তিত্বের ধারণা পাওয়া গিয়েছে। যদিও এখনও টেলিস্কোপে দেখা যায়নি একে।

গ. কোন কোন দিক থেকে মহাবিশ্বের বিস্ময় হিসেবে পৃথিবীকে চিহ্নিত করা হয়েছে তার কারন ব্যাখ্যা করতে হবে।
উত্তর:

পৃথিবী সূর্য ঝথেকে দূরত্ব অনুযায়ী তৃতীয়, ঝসর্বাপেক্ষা অধিক ঘনত্বযুক্ত এবং ঝসৌরজগতের আটটি গ্রহের ঝমধ্যে পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহঝ। সূর্য হতে ঝএটির দুরত্ব প্রায় ঝ১৫ কোটি কি.মি। ঝএটি সৌরজগতের চারটি ঝকঠিন গ্রহের অন্যতম। ঝপৃথিবীর ঝঅপর নাম “বিশ্বঝ” বা “ঝনীলগ্রহ”। নিম্নে ঝএর বৈশিষ্ট্য উল্লেখ্য ঝকরা হলােঃ D পৃথিবী ঝহলাে মানুষ সহ কোটি ঝকোটি প্রজাতির আবাসস্থল। ঝপৃথিবী এখন পর্যন্ত ঝপাওয়া একমাত্র মহাজাগতিক স্থান ঝযেখানে প্রাণের অস্তিত্বের কথা ঝবিদিত।। ০ ঝপৃথিবী গঠিত হওয়ার এক ঝবিলিয়ন বছরের মধ্যেই ঝপৃথিবীর বুকে প্রাণের ঝআবির্ভাব ঘটে।

পৃথিবীর জীবমণ্ডল ঝএইগ্রহের বায়ুমণ্ডল ওঅন্যান্য অজৈবিকঝ। অবস্থাগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ ঝপরিবর্তন এনেছে। এর ঝফলে একদিকে যেমন বায়ুজীবী ঝজীবজগতের বংশবৃদ্ধি ঘটেছে, অন্যদিকে ঝতেমনি ওজন স্তর ঝগঠিত হয়েছে।

পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদ ঝও এর ভূতাত্বিক ইতিহাস ঝও কক্ষপথ এই ঝযুগে প্রাণের অস্তিত্ব রক্ষায় ঝসহায়ক হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ঝআরও ৫০ কোটি বছর ঝপৃথিবী প্রাণধারণের সহায়ক ঝঅবস্থায় থাকবে।

পৃথিবী নিজ অক্ষের ৬৬.৫ ঝডিগ্রি কোণে হেলে রয়েছে। ঝএর ফলে এক ঝবিষুবীয় বছর (ঝ৩৬৫.২৪ সৌরদিন) সময়কালের ঝমধ্যে এই বিশ্বের ঝবুকে ঋতুপরিবর্তন ঘটে ঝথাকে।

গ্রহের খনিজ সম্পদ ও ঝজৈব সম্পদ উভয়ই ঝমানবজাতির জীবনধারণের ঝজন্য ঝঅপরিহার্য। এই ঝগ্রহের খনিজ সম্পদ ঝও জৈব সম্পদ উভয়ই ঝপ্রাচর্য রয়েছে। পরিশেষে ঝবলা যায়, আমাদের ঝপৃথিবী হল মহাবিশ্বে ঝবিস্ময়। কারুণ একমাত্র পৃথিবীতেই ঝপ্রাণের অস্তিত বিদ্যমান।

প্রথম অধ্যায় :
ভূগোল ও পরিবেশ

ভূগােলের ধারণা,পরিবেশের ধারণা, | ভূগােলের পরিধি, ভূগােলের শাখা | পরিবেশের প্রকারভেদ ভূগােল ও পরিবেশ পাঠের গুরুত্ব।

“পরিবেশ বাঁচলে বাঁচবে পৃথিবী”- অনধিক ৩০০ শব্দের মধ্যে একটি প্রতিবেদন লিখ।

সংকেত :

১। সূচনা

২। পরিবেশের উপাদান

৩। ভূগােলের শাখা

৪। ভূগােল ও পরিবেশের আন্তঃসম্পর্ক

৫। পরিবেশ সংরক্ষণে আমাদের ভূমিকা

৬। উপসংহার

পরিবেশ বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে

ভূমিকাঃ- সারা পৃথিবীর পরিবেশ আজ বিপর্যস্থ। মানুষের সৃষ্ট যন্ত্রসভ্যতার গােড়াপত্তন থেকেই চলছে প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর নির্মম কুঠারাঘাত। ফলে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে , পৃথিবী ধাবিত হচ্ছে ধ্বংসের দিকে।

পরিবেশের উপাদানঃ পরিবেশের উপাদান ২ প্রকার। যথাঃ জীব উপাদান এবং জড় উপাদান। যার জীবন আছে জীব উপাদান এবং যার জীবন নাই তা জড় উপাদান। পরিবেশ রক্ষায় এসব উপাদানের ভারসাম্য দরকার।

ভূগােলের শাখাঃ ভূগােলের রয়েছে নানাবিধ শাখা। যেগুলাে প্রত্যেকটি পরিবেশর জন্য আলাদা আলাদা কাজ করে থাকে। যেমনঃ জলবায়ুবিদ্যা , মৃত্তিকাভূগােল , জীব ভূগােল , জনসংখ্যা ভূগােল ইত্যাদি। এসব শাখার কার্যকারী সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে পরিবেশকে বিভিন্ন দূষণের হাত থেকে রক্ষা করে সুন্দর পৃথিবী গড়া সম্ভব।

ভূগােল ও পরিবেশের আন্তঃসম্পর্কঃ ভূগােল হলাে পৃথিবীর বিজ্ঞান। পৃথিবীপৃষ্ঠে সংঘটিত ব্যবস্থাগুলাে কিভাবে কাজ করছে এবং প্রাকৃতিক বিষয়গুলাের সাথে মানুষ কিভাবে নিজেকে মানিয়ে নেয় তার ব্যাখ্যা খোঁজে ভূগােল। অন্যদিকে মানুষ যেখানেই বাস করুক না কেন তাকে ঘিরে একটি পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিরাজ করে।আর সেগুলোর সমন্বয়ই হলাে পরিবেশ।

তাই ভূগােল ও পরিবেশের মধ্যকার গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। কেননা পরিবেশ যে সব উপাদান দিয়ে গঠিত হয় তার যথােপযুক্ত ব্যাখ্যা এবং আলােচনা করে ভূগােল। ফলে ভূগােল ও পরিবেশ একই সূত্রে গাঁথা। আর আমরা যদি ভূগােলের বর্ণনা ও গবেষণাকে কাজে লাগিয়ে একটি সুন্দর কাঠামাে তৈরি করতে পারি তাহলে পৃথিবী হয়ে উঠবে শান্তিময়।

পরিবেশ সংরক্ষণে আমাদের ভূমিকাঃ সুস্থ সুন্দর নিরাপদ পরিবেশ সবার জন্য অপরিহার্য। মানুষের জন্য তাে বটেই , সকল সৃষ্টিকুলের জন্য নিরাপদ পরিবেশজরুরী আর এজন্য আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। আমাদের বৃক্ষনিধন বন্ধ করেবৃক্ষরােপন করতে হবে । বায়ুদূষণ রােধ করে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখতে হবে।

রাসায়নিক জিনিস ব্যবহার কমে দিয়ে জৈব পদার্থের দিকে নজর দিতে হবে ৷ নদী নালা ভরাট না করে তা দিকে নজর দিগন্তবিক গতিপথ তৈরি করতে হবে। সর্বপরি পরিবেশ রক্ষায় সকলকে সচেতন হবে।

উপসংহারঃ জীবন ও পরিবেশ এক ও অবিচ্ছেদ্য। পরিবেশ বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে আর পৃথিবী বাঁচলে আমাদের সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে ব ) , বাঁচতে হলে পৃথিবীকে রক্ষা করতে হবে। আর এজন্য রাষ্ট্র ও জনগণ সবাইকে একত্রে মিলেমিশে কাজ করতে হবে।

নবম শ্রেণী ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের সমাধান

এখানে এই সপ্তাহের নবম শ্রেণী ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন সহ উত্তর দেওয়া হয়েছে। আপনারা যারা এখনো নবম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের সমাধান সঠিক ভাবে শেষ করতে পারেননি। তারা নিচের অংশ থেকে দেখে নিন নবম শ্রেণী ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের সমাধান।

সর্বশেষ কথা

আমরা চেষ্টা করেছি আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে সবাইকে নবম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর জানানোর জন্য। তাই আজকের এই পোস্ট সবার সাথে শেয়ার করুন যাতে সবাই ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান জানতে পারে। এবং পরবর্তী সপ্তাহের সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান পেতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

আরও দেখুনঃ 

সপ্তম শ্রেণি বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ 

নবম (৯ম) শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

নবম শ্রেণী অর্থনীতি অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ 

৭ম শ্রেণি বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

অষ্টম (৮ম) শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান

৯ম শ্রেণি গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৯ম শ্রেণি ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২

৮ম শ্রেণীর গণিত অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ‌২০২২

Tech Tips

টিপস নেট বিডি সকল ধরনের প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে। বিভিন্ন ধরনের শিক্ষামূলক, কৃষি, প্রযুক্তি, বিনোদনমূলক, কুইজ প্রতিযোগিতা, পরীক্ষার রেজাল্ট। সকল ধরনের তথ্য দিয়ে আমরা সাহায্য করে থাকি। নতুন তথ্য পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button